গোপালগঞ্জের মানচিত্র।ছবি:সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম সুলতানা মুন্নিকে নার্সের ভুল ইনজেকশন পুশ করার দায়ে ডাঃ তপন কুমার মণ্ডলসহ তিন জনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা হয়েছে।

এদিকে, জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা জ্ঞানহীন ওই ছাত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

হাসপাতালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর জন্য সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পিত্তথলির পাথরজনিত কারণে মুন্নিকে ডাক্তার তপন কুমার মণ্ডলের কাছে দেখানো হয়।

২১ মে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ওই শিক্ষার্থীর অপারেশন করার দিন ধার্য ছিল। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের নার্স ওই ছাত্রীকে গ্যাসের ইনজেকশনের পরিবর্তে ভুল করে অজ্ঞান করার ইনজেকশন দিয়ে দেয়। এ সময় ওই শিক্ষার্থী জ্ঞান হরিয়ে ফেলেন।

পরে তাকে খুলনার আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উন্নত চিকিসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ২২ মে বুধবার রাতে ওই ছাত্রীর চাচা জাকির হোসেন বিশ্বাস বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডাঃ তপন কুমার মণ্ডল, নার্স শাহানাজ ও কুহেলিকাকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আজকের পত্রিকা/মোজাম্মেল হোসেন মুন্না/গোপালগঞ্জ/রাফাত/জেবি