কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে রোডস এন্ড হাইওয়ে এবং কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে গত রোববার থেকে ভুরুঙ্গামারী-কুড়িগ্রাম সড়ক পথে তাদের আওতাভুক্ত সবধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন।

এতে করে পন্য বোঝাই প্রায় শতাধীক ট্রাক, ট্যাংকলরি, কাভার্ড ও পিকাব ভ্যান রাস্তায় আটকা পড়ে আছে। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী-কুড়িগ্রাম সড়কের রায়গঞ্জ সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তার পাশেই নতুন একটি সেতু নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়।

যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে সওজ ও রোডস এন্ড হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ পূর্বের সেতু দিয়ে অনধীক দশ টন পণ্য বোঝাই যানবাহন চলাচল করতে পারবে মর্মে নোটিশ জারি করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের এই বিধি নিষেধ অমান্য করে দশটনের অধিক পণ্য বোঝাই ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন মোটা অংকের চাঁদার বিনিময়ে সেতু পার করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।

দিনকে দিন এই চাঁদার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন তাদের আওতাভূক্ত সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন সমিতির সভাপতি আইনাল হক বলেন, রায়গঞ্জ সেতুটি ঝুঁকিপ্র্ণূ এটা আমরা সবাই জানি । কর্তৃপক্ষের বিধি মেনেই পণ্য বোঝাই যান বাহন গুলো চলাচল করছে।

কিন্তু রোডস এন্ড হাইওয়ে সুপার ভাইজার আছলাম হোসেন দশটনের অধিক মালামাল আছে এমন অভিযোগে প্রায় প্রতিটি গাড়ী থেকে চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে সেই ট্রাককে আটকে রাখছে ঘন্টার পর ঘন্টা এবং চালককে নানা ভাবে হয়রানি করছে। এর প্রতিবাদে ট্রাক সহ সমিতির আওতাভূক্ত সকল প্রকার যান চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রোডস এন্ড হাইওয়ে সুপার ভাইজার আছলাম হোসেন এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কর্তৃপক্ষের বিধি নিষেধ অমান্য করে ১৫ থেকে ২০ টন মালামাল বোঝাই যানবাহন চলাচলে বাঁধা দিলে তারা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এজি লাভলু/কুড়িগ্রাম