এম. এ. আর. শায়েল
সিনিয়র সাব এডিটর

পৃথিবীটা এখন বিশ্ব গ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ। আর বিশ্ব গ্রামে এক নতুন ধরনের যোগাযোগের মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ব্লগের মতো ইন্টারনেটভিত্তিক এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন। চিরাচরিত মিডিয়ার পাশে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই ইন্টারনেট, সামাজিক নেটওয়ার্ক একটি ‘শক্তি’। কেউ কেউ মনে করছেন এই ‘শক্তি’ একটি পরিবর্তন আনার জন্য যথেষ্ট। সাম্প্রতিক স্যোশাল মিডিয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। সেসব ছাত্রছাত্রীদের স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে পাঠকীয় তৈরি করেছেন –মনোয়ারা জাহান রিয়া

ভাবছি ব্যবসা ছেড়ে দিবো

আমি শুধুই ফেসবুক ব্যবহারকারী। ঘণ্টাখানেক কখনো বা তার চেয়ে কিছু বেশি বা কম সময় ব্যয় করি এতে। আমার মতে এটি ব্যবহারের ফলে কমিউনিটি তৈরি হচ্ছে, বুদ্ধি চর্চা হচ্ছে, ফলপ্রসূ এবং সফল, মার্জিত চিন্তার স্পেস তৈরি হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের কাছে। যেকোনো রাজনৈতিক বা জাতীয় পর্যায়ের বিষয়গুলো জনসাধারণ দ্বারা সমালোচিত হবার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এখানে। কমিউনিকেশন, মাস অবজার্বেশনের জন্য এটি উপকারি, এছাড়াও ক্রিয়েটিভ প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় সৃষ্টিশীল কাজের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। আমার ধারণা শারীরিক এবং প্রবলভাবে মানসিক যন্ত্রণার কারণ মিডিয়া। এছাড়াও অলসতা, হতাশা, বিষণ্নতা, ইনসোমনিয়া ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমি এটা ব্যবহার না করে সারাদিন থাকতে পারবো।
খালিদ হাসান ঋভু