যুক্তরাজ্যে প্রাপ্তবয়স্করা বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় বেশি মদ পান করেন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় ব্রিটিশরা মদ পানের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্য। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে মদ্যপানের প্রবণতা সামগ্রিক পর্যায়ে নিম্নমুখী রয়েছে। ইংরেজীভাষী দেশগুলো তাদের নাগরিকদের সহসা মদ পানের ক্ষেত্রে অনেকটাই অনুকূলে রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য মদ পানের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। শীর্ষ তালিকা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে প্রাপ্তবয়স্করা বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় বেশি মদ পান করে।

ব্রিটিশরা ১২ মাস সময়ের মধ্যে ৫১.১ বার মদ পান করে থাকে অর্থাৎ সপ্তাহে কমপক্ষে এক বার মদ পান করে। সেই তুলনায়, বিশ্বব্যাপী এর গড় মাত্র ৩৩। ৩৬টি দেশে বসবাসকারী মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী এই গড় পাওয়া গেছে। এই গবেষণাটি ৮ম বার্ষিক গ্লোবাল ড্রাগ সার্ভে থেকে নেওয়া হয়েছে যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় জরিপ বলে মনে করা হয়। কিন্তু সমালোচকরা বলেছেন যে গবেষণাকৃত ফলাফলগুলো নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কেননা গত সপ্তাহের একটি বড় গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে, ব্রিটিশরা দশ বছর আগের তুলনায় এখন কম মদ পান করছে।

গ্লোবাল ড্রাগস সার্ভের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক অ্যাডাম উইনস্টক বলেন, ‘কম সংখ্যক মানুষ মদ পান করেছেন। আবার অনেকেই সম্ভাব্য ক্ষতিকারক উপায়ে মদ পান করেছেন। আমরা বলে থাকি যে অতিরিক্ত মদ পান ক্ষতিকারক। কিন্তু বর্তমানে নির্দেশিকাগুলো মদ পানের আনন্দ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বলছে না। অল্প পরিমাণে মদ পান করা আর অনেক বেশি মদ পান করে মাতাল হওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে  যেমন বছরে তিন চার বার পান করা আর প্রতি সপ্তাহে পান করা’।

অধ্যাপক অ্যাডাম উইনস্টক আরও বলেছেন, ‘মদ পান করা আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্যের ক্ষতির ঝুঁকি বহন করে। তবে মদ পান করার বিভিন্ন পর্যায়ের উপর আমাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। নিরাপদ সীমায় মদ পান করা অতিরিক্ত মদ পানের চেয়ে ভাল’।

আজকের পত্রিকা/বিএফকে/আ.স্ব