রমজানের দিন জনসম্মুখে খাওয়ার অভিযোগে ৮০ জনকে সীমিত সময়ের জন্য আটক করেছে দেশটির ইসলামিক শরিয়া পুলিশ। প্রতীকি ছবি

ভোলা বোরহানউদ্দিন বোরহানগঞ্জ জ্ঞানদা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ছদ্মনাম কুলমুস বেগম ও কাচিয়া ইউনিয়নের কালিরহাট এলাকার ছেলে শামীমকে কাচিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামন থেকে আটক করে এলাকাবাসী।

পরে দুপুর ১২টায় জ্ঞানদা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে খবর দিয়ে ছেলে ও মেয়েকে তার হাতে তুলে দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থানা পুলিশকে খবর দিলে মেয়ে ও ছেলে এবং একটি আরটিআর মোটর সাইকেলসহ পুলিশ থানায় নিয়ে আসেন।

কিন্তু অদৃশ্য কারনে ওই শামীমের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

জ্ঞানদা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো: সোহেল হোসেন জানান, আমার বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে নিয়ে যায় কাচিয়া ইউনিয়নের কালির হাট এলাকার লিটন হাওলাদারের ছেলে মো: শামীম মোটর সাইকেল যোগে।

পরে কাচিয়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে দীর্ঘ সময় ঘোরাঘুরি করলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়।

স্থানীয়রা একটি আরটিআর মোটর সাইকেলসহ ছেলে-মেয়েকে আটক করে আমাকে খবর দিলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ কে অবহিত করি।

দুপুর ১টায় ছেলে ও মেয়ে ও আরটিআর মোটর সাইকেলসহ বোরহানউদ্দিন থানার এস.আই মহাইমিনুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে থানায় নিয়ে যান।

ছেলে ও মেয়ে দীর্ঘ ৫/৬ ঘন্টা এক সাথে ছিল।

পুলিশ কি ব্যবস্থা নিচ্ছে আমি কিছু জানি না।

বোরহানউদ্দিন থানার এস.আই মহাইমিনুল জানান, প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে অবহিত করলে আমরা ছেলে মেয়েকে থানায় নিয়ে আসি।

থানা থেকে মেয়ের মা মেয়েকে নিয়ে যাবে।

কেউ কোন অভিযোগ না দেয়ায় থানা থেকে শামীমকেও ছেড়ে দেয়া হবে।

তাদের সাথে আরটিআর মোটর সাইকেল আটকের বিষয় জানতে চাইলে তিনি কৌশলে বলেন, আমার সাথে অনেক ফোর্স গেছে কেউ আনলে আনতেও পারে।

এব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ ম. এনামুল হক এর বক্তব্য নিতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আবদুল মালেক/বোরহানউদ্দিন