গত ৪ মাস ধরেই পেঁয়াজের বাজারে আগুন। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ক্রেতাদের কিনতে হয়েছে সর্বোচ্চ ১৪০ টাকা দামে। তবে সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন তা অনেকটাই কমে বাজারভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কিছুটা কমলেও তা পর্যাপ্ত না বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরাতে কমবে। সেখানে কিছুটা দাম কমায় খুচরাতেও দাম করতে শুরু করেছে। তবে আদমানি করা পেঁয়াজ দেশের বাজারে এলে দাম কমে যাবে।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাকসেলে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি এখনো অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি ট্রাকসেলে অব্যাহত রয়েছে। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ট্রাকসেলে বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

তবে বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও এরইমধ্যে বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম ইতিমধ্যে বেড়েছে। অন্যদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়িয়েছে বিপণনকারী কোম্পানিগুলো। তারা বলছে, আন্তর্জাতিক বাজার ও অভ্যন্তরীণ খরচ বৃদ্ধি পাওয়াই দাম বাড়ানোর কারণ।

এক মাস আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেল প্রতি টনের দাম ছিল ৭১০ মার্কিন ডলার, যা এখন ৭৫০ ডলার ছাড়িয়েছে। এবারের বাজেটে ভোজ্যতেল আমদানি মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) তিন স্তরে আরোপের সিদ্ধান্ত হয়। এতে লিটারে ৩ টাকার মতো প্রভাব পড়ার কথা জানায় কোম্পানিগুলো।

বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত সয়াবিন তেলের এক লিটারের এখনকার সর্বোচ্চ খুচরা (এমআরপি) মূল্য ১০২ থেকে ১১০ টাকা। তবে কোম্পানিগুলো খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা লিটার দরে সয়াবিন তেল বিক্রি করে।

আজকের পত্রিকা/সিফাত