বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জামী-উস সানির কক্ষসহ ২টি হলের ৩টি কক্ষ সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন।

১২ অক্টোবর শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সিলগালা করা কক্ষগুলোর মধ্যে আহসান উল্লাহ হলের দুটি এবং শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ৩টি রুম সিলগালা করা হয়েছে। অছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আহসান উল্লাহ হলের ১২১ নম্বর কক্ষ, জামী-উস সানির ৩২১ নম্বর কক্ষ, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আবরার হত্যা মামলার আসামি মেহেদী হাসান রাসেলের ৩০১২ নম্বর কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে। এসব কক্ষ রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হতো। অন্যান্য হলের ছাত্রলীগের ব্যবহৃত কক্ষগুলোও ১৩ অক্টোবরের মধ্যে সিলগালা করা হবে।

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে বেশ কয়েকদিন ধরে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছেন।

আন্দোলনের একপর্যায়ে ১১ অক্টোবর শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। ১২ অক্টোবর শনিবার দাবিগুলোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

এদিন সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিলেও ১৪ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে আন্দোলন ২ দিনের জন্য শীথিল করেন। এর পরই ছাত্রলীগের ৩টি কক্ষ সিলগালা করে কর্তৃপক্ষ।

বুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি জামী-উস সানি বলেন, দুপুর ১২টার দিকে সিলগালা করার সময় আমি রুমে ছিলাম। হল প্রশাসন এসে রুমটি সিলগালা করেছে। যারা অনিয়মিত, তাদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছাত্রত্ব থাকলেও আমি নিয়মিত ছাত্র নই।

আজকের পত্রিকা/কেএফ