প্রাণঘাতি ‘করোনা’ ভাইরাসে চীনের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ গুলোতেও এর প্রভাব পড়েছে।

সম্প্রতি ভারত ও নেপালে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনও। এ

ই করোনা ভাইরাস আতঙ্কে রয়েছে পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ গোটা লালমনিরহাট জেলাবাসী।

এ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে প্রতিদিন ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে শতশত পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল করে থাকে।

দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশনে সতর্কাবস্থা জারি করা হলেও লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনে নেই কোনো প্রকার স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টিতে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যবস্থা।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা ভয়, আতঙ্ক। চীনের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, ভুটান, নেপাল ও অন্যান্য দেশ থেকে বুড়িমারী ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী সাধারণ চলাচল করছে।

এতে করোনা ভাইরাস যাত্রীর মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে অনেকে ধারনা করছেন।

বুড়িমারী ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতসহ নেপাল ও ভুটানে গড়ে ৫শ মানুষ যাতায়াত করে থাকে।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ডা. নুর আরেফিন প্রধান কল্লোল বলেন, ‘জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের সতর্কতা সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।

বুড়িমারী ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদ জানান, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে বা সচেতনতায় কি করতে হবে তা জানানো হয়নি।

লালমনিরহাট সিভিল সার্জন (সিএস) ডা, কাশেম আলী বলেন, জেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রায় প্রতিদিন ভারত, নেপাল ও ভুটানের শত শত যাত্রী আসা যাওয়া করছে।

কিছুদিন আগেও ভারত ও নেপালে এই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। এ কারনে মরনঘাতি এই করোনা ভাইরাস আতঙ্কে লালমনিরহাট জেলাবাসী চরম উৎকন্ঠায় থাকলেও সরকারী ভাবে এখনো আমাদের কাছে কোন নির্দেশনা আসেনি।

তবে এই মরনঘাতি ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে বা সচেতনতার জন্য খুব শিঘ্রই সরকারী ভাবে নির্দেশনা পাবেন বলে জানান তিনি।

-জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না/লালমনিরহাট