বুড়িগঙ্গার তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অন্তত ৩০টি বালুর গদিসহ অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।ছবি:সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গার তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অন্তত ৩০টি বালুর গদিসহ অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এ সময় জব্দ করা বালু ১০ লাখ ৩২ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দুই দিনব্যাপী অভিযানের প্রথম দিনে রোববার সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

দু’টি এক্সাভেটর (ভেকু), দু’টি উচ্ছেদকারী জাহাজ, একটি টাগবোট, বিপুল সংখ্যক পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, যারা অবৈধভাবে নদীর নির্ধারিত সীমানার জায়গা দখল করেছেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রোববার অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ ঢাকা নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ফতুল্লা লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় কিছু সংখ্যক প্রভাবশালী ব্যক্তি নদীর তীর ভরাট করে অবৈধভাবে বালু, পাথর ও ইটের ব্যবসা করতেন। রোববার (২৬ মে) এসব দখল করা জায়গাসহ খেয়াঘাট পর্যন্ত অর্ধশতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ফতুল্লা বালুরঘাট নামে পরিচিত জায়গাটি এখন পণ্য লোড-আনলোড করতে ব্যবহৃত হবে। এতে সরকারের যেমন রাজস্ব আদায় হবে, তেমনি এ এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

পর্যায়ক্রমে বুড়িগঙ্গা তীরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) শফিকুল হক, যুগ্ম সচিব নুরুল আলম, যুগ্ম পরিচালক সাইফুল হক, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম রেজা, নূর হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজিজুর রহমান প্রমুখ।

আজকের পত্রিকা/মাসুুুুদ,নারায়ণগঞ্জ/রাফাত/এমএইচএস