বুলবুল মোকাবেলায় মাইকিং।

ঘুর্নিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় ভোলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঝড় মোকাবেলায় জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে।

গঠন করা হয়েছ ৯২ টি মেডিকেল টিম। এছাড়াও জেলা সদর সহ সাত উপজেলায় ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

মানুষর্কে সতর্ক করতে উপকূলে চলছে রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির প্রচারনা।

শুক্রবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ঘুর্নিঝড়ের বিষয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঝড় মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে। সকল আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ত্রাণ মজুদ রাখা হয়েছে।

ভোলা সিপিপির উপ-পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন জানান, ঝড়ের বিষয়ে মানুষকে জানাতে সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা প্রচার-প্রচারনা শুরু করে দিয়েছেন। সিপিপির ১০ হাজার ২০০ সেচ্চাসেবী প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, ভোলা এখনো ৪ নাম্বার সতর্কতা সংকেত চলছে। ঝড়টি গতিবেগ এমন এটি কোন দিকে আঘাত হানবে এখনো তা এ মুহুর্তে ঠিক বলা যাচ্ছে না। এদিকে ঘুর্নিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সকাল থেকে জেলায় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।

কোথায় কোথায় আবার ভারী বর্ষন হয়েছে। পুরো জেলা মেঘাচ্ছন্ন। নদী এবং সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। অনেক জেলে তীরে চলে এসেছেন।

আবদুল মালেক/ভোলা