বীরগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস পালন

৬ ডিসেম্বর বীরগঞ্জ-কাহারোলের মুক্তিকামী মানুষ, বীরমুক্তিযোদ্ধা এবং মিত্র বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমনে এই দুই উপজেলা থেকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়।

আজকের দিনটি বীরগঞ্জ-কাহারোল বাসীর জন্য নিঃসন্দেহে স্মরনীয় দিন। এই দিনটি যদি আমরা ইতিহাসের অংশ হিসেবে সম্পৃক্ত করতে না পারি তবে স্বাধীনতা যুদ্ধে এই এলাকার মানুষের অবদান অন্ধকারাচ্ছন্নই থেকে যাবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইয়ামিন হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কালী পদ রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. নুর ইসলাম নুর, জেলা পরিষদের সদস্য মো. আতাউর রহমান বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামিম ফিরোজ আলম।

শুরুতে দিবসটি যথাযথ মর্যদায় উদযাপনের লক্ষ্যে তাজমহল মোড়ে শহীদ বুধারু স্মৃতিস্তম্ভে ও বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের পাশে শহীদ মহসীন আলী’র কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরে জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল এর নেতৃত্বে উপজেলা চত্বর থেকে এক বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। আনন্দ শোভাযাত্রায় বীরগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক-পেশাজীবি, সাংবাদিক সংগঠন, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রসাসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ইং সালে এই দিনে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর আক্রমনে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কের ভাতগাঁও ব্রীজে বাংকারে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অবস্থান নেয়। যৌথ বাহিনীর টেংক-কামান-মেশিনগান ও বিমান হামলা থেকে নিজেদের বাঁচতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পালিয়ে যায়।

আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাস্কিৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচী শেষ করা হয়।

-হাসান জুয়েল