ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো।

৫ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছে। জানা যায়, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও (কালিবাড়ীঘাট) সংলগ্ন ব্রক্ষপুত্রে খড়িয়া নদীর উপর স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে প্রায় ১৬০ফুট দৈর্ঘ্য বাঁশের সাঁকো ।

প্রায় ৫ বছর ধরে বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়েই চলেন ৫ গ্রামের মানুষ । ৫ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো  দিয়ে উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্নস্হানে যাতায়ত করছে। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা এ বাঁশের সাঁকো পারি দিয়ে চলাচল করছে।

এলাকাবাসী স্থানীয় উদ্যোগে প্রায় ৫ বছর আগে নদীর উপর ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্য লম্বা একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। তখন থেকে বাশের সাঁকো দিয়ে নদীর পারি দেয় ৫ গ্রামের মানুষ।

এ নদীর উপর পাকা সেঁতু না থাকায় উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের ৫ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজসহ কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী বর্ষাকালে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যাতায়াত করে থাকে। প্রতিদিন পারাপারা হচ্ছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ।

গুপ্তেরগাঁও গ্রামের মোঃ আলাউদ্দিন ফকির বলেন, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় এলাকার লোকজন ফুলপুর উপজেলা সদরে সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছেন না।

এজন্য তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার কৃষিপণ্য শহরে বাজারেজাত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

একই কথা বলেন গুপ্তেগাঁও গ্রামের মো : আনারুল হক, আব্দুল্লাহ ,আব্দুল খালেক শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কম থাকায় ছেলে মেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে বেশি ঝুকি নিয়ে পারাপার করতে হয়।

এলাকাবাসী দাবি নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণ করা হলে লোকজনের উৎপাদিত পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া এবং উপজেলা সদরে থেকে কোনো পণ্য নিয়ে আসা সহজ হবে। এবিষয়ে পয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো : মফিদুল ইসলাম বলেন, এ এলাকার মানুষের জন্য ব্রীজ নির্মান করা জরুরি।

আজকের পত্রিকা/রফিক বিশ্বাস/তারাকান্দা/এমএআরএস