জীবনের সবকিছুর মতোই এই ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শিখতে হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস জিনিসটি খুবই জরুরি। এ বিষয় নিয়ে সবাই কম-বেশি চিন্তিত থাকেন। যাদের বিশ্বাস নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই জানে এই পরিস্থিতি কতটা যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু জীবনের সবকিছুর মতোই এ ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শিখতে হয়। কোনো কিছুই অসম্ভব না। সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের উপায়গুলো জেনে নিলে সবার জন্যই জীবন যাপন সহজ হয়ে যাবে। চলুন জেনে নিই সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের উপায়গুলো-

খোলামেলা আলোচনা

আপনি কোনো বিষয়ে কষ্ট পেয়েছেন, আপনার কেমন লাগছে তা সরাসরি বলুন। ছবি: সংগৃহীত

আপনার সঙ্গী তার ভুল স্বীকার করার পর, খোলামেলা আলোচনায় বসুন। আপনি কোনো বিষয়ে কষ্ট পেয়েছেন, আপনার কেমন লাগছে তা সরাসরি বলুন। তাকে এটাও বলুন, আপনি তাকে দোষারোপ করার জন্য কোনো কিছু বলছেন না। আপনার অনুভূতি প্রকাশ করার জন্যই বলছেন। আবার এটাও আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, একাই সব বলে যাবে না, তাকেও বলার সুযোগ দিন।

নিজেকে এবং আপনার সঙ্গীকে ক্ষমা করুন

ক্ষমা মানে গ্রহণযোগ্য মুখোমুখি বাস্তবতা এবং অগ্রসর হওয়ার উপায়। ছবি: সংগৃহীত

আমরা জানি, ক্ষমা করা সহজ কাজ নয়। কিন্তু ক্ষমা করার কাজটি খুব কার্যকরী হতে পারে। ক্ষমা মানে বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারার শক্তি দেখানো এবং সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া। যদি আপনি ক্ষমা করতে ইচ্ছুক না হন, তবে ধীরে ধীরে আপনার এবং আপনার সঙ্গীর মধ্যে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হবে, যা আপনাকে কখনো সামনে আগাতে দিবে না।

আপনার চাওয়া-পাওয়া

দুপক্ষের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে দুজনেরই অবগত থাকতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

দু পক্ষের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে দুজনেরই অবগত থাকতে হবে। বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং সম্পর্কটিকে পুনুরুদ্ধার করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা পরিষ্কার করে বলে দিন। আপনি যখন আপনার প্রত্যাশার কথা তাকে জানাবেন, তখন মনে রাখতে হবে, তার সাধ্যের বাইরে কিছু চাওয়া যাবে না।

নিজে ভালো থাকুন, সম্পর্কটিকে ভালো করুন

সম্পর্কটি সুস্থ রাখতে চাইলে আগে নিজেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

অনেক কষ্ট পাওয়ার পর, সবকিছু স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া খুবই কঠিন। আপনি যত বেশি কষ্ট পাবেন, ততই আপনার জন্য নতুন শুরু করা আরও কঠিন হবে। সম্পর্কটি সুস্থ রাখতে চাইলে আগে নিজেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে হবে।

সময় নিন

সময় সবকিছু ঠিক করে দেয়। ছবি: সংগৃহীত

সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময় সবকিছু ঠিক করে দেয়। অনেক কিছুই সম্ভব যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় দেওয়া হয়। যদি আপনি অতীতের দৃষ্টান্তগুলি দেখেন, তবে বর্তমান সময়ের তুলনায় তার তীব্রতা কম হবে।

ইতিবাচক মনোভাব

ভাঙা সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে উভয় পক্ষের মনোভাব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত

ভাঙা সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে উভয় পক্ষের মনোভাব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি উভয়ই প্রেমে থাকে এবং অবিশ্বস্ততার দৃষ্টান্ত অতিক্রম করতে ইচ্ছুক হয়, তাহলে কিছু সময় পার করার পর সম্পর্ক আগের মতো হবেই। তবে মূল ব্যাপার হলো ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করা।

আজকের পত্রিকা/রিয়া/সিফাত