ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে ১৯৯০ সাল থেকে আত্মহত্যা বিশ্বব্যাপী এক তৃতীয়াংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের  বিশ্লেষণের ভিত্তিতে, পুরুষ ও নারীদের আত্মহত্যার সংখ্যার মধ্যে গভীর পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) আত্মহত্যাকে একটি সমালোচনামূলক জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে এবং অনুমান করে কমপক্ষে ৮০০,০০০ জন মানুষ প্রতি বছর নিজেদের হত্যা করে। যদিও আত্মহত্যা ও নিজের ক্ষতি নিজেই করা ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।

বিএমজে জার্নাল প্রকাশিত ফলাফলের গবেষণা অনুযায়ী ২০১৬ সালে ৮১৭,০০০ জন মানুষ নিজেদের হত্যা করেছিল যা ১৯৯০ সাল থেকে ৬.৭ শতাংশ থেকে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে, গত তিন দশকে বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বেড়েছে। গবেষকদের মতে, বয়স এবং জনসংখ্যার অনুপাতে আত্মহত্যা প্রতি ১০০,০০ জনে ১৬.৬ থেকে ১১.২ শতাংশে নেমে এসেছে।

কানাডা পাবলিক হেলথ এজেন্সি এবং গবেষণার সহযোগী হিথার অর্পানা বলেন, ‘আত্মহত্যা মৃত্যুর প্রতিরোধযোগ্য কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এই গবেষণায় দেখা যায় যে আত্মহত্যার প্রতিবন্ধকতার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। মৃত্যুর হার সাধারণত পুরুষদের ক্ষেত্রে বেশি ছিল কিন্তু বয়স এমনকি দেশের উপর ভিত্তি করে পুরুষ ও নারীর মধ্যে এই হার উল্লেখযোগ্য ভাবে পরিবর্তনশীল ছিল। আমরা বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার মৃত্যুহারে একটি গুরুত্বপূর্ণ হ্রাস দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু এই পরিবর্তন অঞ্চল, দেশ, যৌন বা বয়সের মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার হার ১০ শতাংশ কমানোর উদ্দেশ্যে কাজ করছে।