সত্যিই কি আউট হয়েছিলেন লিটন দাস? ছবি: সংগৃহীত

২৪ জুন সোমবার বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রথম ইনিংসের ৫ম ওভারে আফগান বোলার মুজিব উর রহমানের বলে ড্রাইভ শট খেলতে গিয়ে বল আকাশে উঠিয়ে দেন টাইগার ওপেনার লিটন দাস। মাটি ছুঁই ছুঁই অবস্থান থেকে বলটি মুঠোবন্দি করে উচ্ছ্বাসে ভেসে যান ফিল্ডার হাসমতুল্লাহ শহীদিসহ সমস্ত আফগান খেলোয়াড়রা। কিন্তু সত্যিই কি আউট হয়েছিলেন লিটন দাস?

আফগান খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বসিত রূপ দেখেও মাঠের আম্পায়ার কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি, ফলে সিদ্ধান্তের জন্য থার্ড আম্পায়ারের শরণাপন্ন হতে হলো। রিপ্লে দেখে বল ফিল্ডারের তালুবন্দি হওয়ার আগে মাটি স্পর্শ করেছে বলেই মনে হচ্ছিল। এমনটা সন্দেহ প্রকাশ করছিলেন ধারাভাষ্যকারও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত থার্ড আম্পায়ার আলিম দারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলো আউটের।

আলিম দারের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না দেশ-বিদেশে থাকা ক্রিকেট পাগল টাইগার সমর্থকরা। অনেকে ওই ক্যাচের স্ক্রিনশট পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঝড় তুলছেন। ফেসবুকে আতিকুর রহমান তমাল নামের এক টাইগার সমর্থক লিখেছেন, ‘থার্ড আম্পায়ার পাকিস্তানি আলিম দার, দেশটা যেমন এর নাগরিকেরাও তেমন!’ জেসমিন পাঁপড়ি নামের আরেকজন সমর্থক লিখেছেন, ‘এইটা আউট? আবারও আলীম দার!’

হাবিব আনিসুর রহমান নামের একজন লিখেছেন, ‘এবস্যুলেটলি নট আউট যেটা সেটাকে আউট বলে কি করে? এর আগেও এই লিটনকেই রান আউট করে দিয়েছিল আম্পায়ার, অথচ সে আউট ছিল না।’ পলাশ দত্ত নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘থার্ড আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত। খেলোয়াড়ি মনোভাবের পরিচয় দিতে পারল না আফগানিস্তান।’

এছাড়াও নেট দুনিয়ায় আরও কঠোর ভাষায় সমালোচনা হচ্ছে থার্ড আম্পায়ার আলিম দার এবং লিটনের ক্যাচটি মুঠোবন্দি করা আফগান প্লেয়ার হাসমতুল্লাহ শহীদির।