আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। ছবি : সংগৃহীত

জনগণের প্রতি আস্থা নেই বলেই বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। ১৯ মার্চ মঙ্গলবার  দুপুরে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন হানিফ।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘জিল্লুর রহমান ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী দুঃসময়ে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বে দিয়ে সুসংগঠিত করেছেন। ঐক্যবব্ধ রেখেছিলেন। নেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার ছিল অবিচল আস্থা। দুঃসময়ে তিনি দলের জন্য শক্ত ভূমিকা রেখেছেন।’

রাজধানীর বেইলি রোডে মহিলা সমিতির আইভি রহমান মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মাহবুব উল আলম হানিফ বলে, ‘এই ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়ে লাভ হবে না, নিজেদের অস্তিত্বই মুসলিম লীগের মতো বিলীন হয়ে যাবে।’

বিএনপি নেতাদের দল থেকে পদত্যাগ প্রসঙ্গে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ চাপ সৃষ্টি করে কাউকে রাজনীতি থেকে বিরত রাখায় বিশ্বাস করে না। বিএনপি জনগণের দল নয়, সন্ত্রাস-দুর্নীতিবাজদের দল। এই দলটি পাকিস্তানের প্রভুকে খুশি করতে রাজনীতি করে। বিএনপি নেতারা এটা উপলব্ধি করেই দল ত্যাগ করছেন।’

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপির আর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই। দেশের জনগণের প্রতি বিএনপির কোনো আস্থা নেই। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন বলেই দলটি নির্বাচন বর্জন করে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে মুসলিম লীগের চেয়ে দলটির করুণ পরিণতি হবে।

মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছেন। জিয়া বন্দুকের নালে ক্ষমতায় এসে হ্যাঁ-না ভোট করেছেন। বিএনপির সময় মাগুরার উপ নির্বাচনের কথা দেশের জনগণ এখনও ভুলে যায়নি। নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করার চক্রান্ত তখন থেকে শুরু করেছে দলটি। এ দলটি সব সময়ই জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে তারা কখনই সফল হবে না।

জিল্লুর রহমান মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির সভাপতি এমএ করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলির সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলির সদস্য মতিয়া চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম প্রমুখ।

আজকের পত্রিকা/আ.স্ব/