কিশলয় জুনিয়র হাই স্কুল, বাহুবল

বাহুবল উপজেলা সদরে অবস্থিত কিশলয় জুনিয়র হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বেধড়ক পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল মিয়া। এনিয়ে অভিভাবকের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে পড়া না শেখার কারণে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল মিয়া পঞ্চম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী সালমা আক্তার শোভাকে বেধড়ক বেত্রাঘাত করেন। শিক্ষকের এলোপাতাড়ি বেত্রাঘাতে ছাত্রী শোভার শরীরের বিভিন্ন স্থানে লিলাপোলা জখম। পারে ছাত্রীর অভিভাবক বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দেন।

ওই ছাত্রীর মা অভিযোগ করে বলেন, গত সোমবার আসন্ন সমাপনী পরিক্ষার হলে সিট বসানো নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয়। এর জের ধরেই প্রধান শিক্ষক তার মেয়েকে মারধোর করেছেন। ওই অভিভাবক আরও জানান, তার মেয়ে একজন মেধাবী ছাত্রী হওয়ায় আর কোনদিন শিক্ষক শোভাকে মারধোর করেননি।

আহত শোভা বাহুবল সদরের আহমদ আলীর কন্যা। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্ততি চলছে। অপরদিকে আহত ছাত্রীর তথ্য সংগ্রহকালে এ প্রতিবেদক বাহুবল উপজেলা

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে গেলে কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সুকৃতি রাণী পাল কোন ধরণের তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

অনেক পীড়াপীড়ির পর আংশিক তথ্য দেন এবং বলেন যে কাউকে তথ্য দেয়া সটিক না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুকৃতি রাণী পাল স্থানীয় হওয়ায় প্রায়ই রোগীর স্বজনদের সাথেও রুঢআচরন করেন।