ইউএনও জসীম উদ্দিন ও প্রকৌশলী মহিউদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

বাহুবলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলীর দ্বন্দ্বের নেপথ্য নায়ক অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হরিপদ দাশকে বানিয়াচংয়ে বদলী করা হয়েছে।

২৪ মার্চ রবিবার হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে বদলীর আদেশ দেন। আদেশে ২৫ মার্চ সোমবারের মধ্যে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়। তবে ওই আদেশে নির্দিষ্ট কোন বদলীর কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

তবে গত ৬ মার্চ বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন মোবাইল কোর্ট করার নামে পুলিশ ডেকে এনে উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হ্যান্ডকাপ পড়ান। এনিয়ে বাহুবলসহ সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। এমন কি উপজেলা প্রকৌশলী বাদি হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন ও অফিস সহকারী হরিপদ দাশের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২/৩ জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

অপর দিকে এঘটনা নিয়ে বাহুবল, হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের শাস্তির দাবিতে এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।

বাহুবলে ইউএনও‘র হাতে গড়া সামাজিক সংগঠন “আমরা সবুজ সংঘ” উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ঘুষখোর-মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে তাকে প্রত্যাহারের দাবী জানায়। এতে বাহুবলের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে ঘটনার তদন্তে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব- মোঃ সাবেরুল ইসলামকে প্রধান করে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি অন্যান্যরা হলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ সচিব- মোঃ ইমদাদুল ইসলাম ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব-মোঃ মনিরুল ইসলাম। উক্ত তদন্ত কমিটি গত ১৬ মার্চ সকালে আলোচিত অলুয়া বাধঁ পরিদর্শন করেন এবং বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসে এসে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহন করেন।

আজকের পত্রিকা/বাহুবল