বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ৭ম শ্রেণির ছাত্রী

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ওসির হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল ৭ম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী রাবেয়া আকতার (১৩)।

সোমবার সকাল থেকেই চলছিল বিয়ের আয়োজন। এমনকি রান্নাসহ সব আয়োজনই প্রায় সম্পন্ন। কনে পক্ষ বর পক্ষ আসার অপেক্ষায় কখন এসে কনেকে বিয়ে করে নিয়ে যাবেন। কিন্তু বাধ সাধল বেরসিক পুলিশ। বর পক্ষ উপস্থিত হওয়ার আগেই ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বন্ধ করে দিলেন বাল্য বিয়ে।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কনের বাবা আঃ ছত্তার হাওলাদার দৌড়ে পালিয়ে যান। ছেলে পক্ষও পুলিশের আসার কথা শুনে আত্মগোপন করে। কনে কালাইয়া গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোঃ আঃ ছত্তার হালাদারের মেয়ে এবং কালাইয়া রাজিয়া রশিদ দাখিল মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।

একই গ্রামের আঃ রশিদ মোল্লার ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম মোল্লার (১৮) এর সাথে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর বাল্য বিয়ের আয়োজন চলছিল। জন্ম নিবন্ধন সনদ জাল করে ওই ছাত্রীর পরিবার বাল্য বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছিল।

কনে রাবেয়া আকতার জানান, বাবা মা আমাকে জোর করে বাল্য বিয়ে দিচ্ছিল। আমি এ বিয়েতে রাজি ছিলাম না।

ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, খবর শুনে ৭ম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কনে এবং বর পক্ষকে সাবধান করে দেয়া হয়েছে পরবর্তীতে বাল্য বিয়ের দেয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

-মারুফুল ইসলাম/ইন্দুরকানী