হবিগঞ্জের বানিয়াচং ৬ নং কাগাপাশা ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী স্থানীয় একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক টাকা লুপাট করেছেন মর্মে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে।

২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এলজিএসপি থেকে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্রয় বাবৎ বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকা পুরোটাই তার পকেটস্থ করেছেন। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে একই বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্রয় বাবৎ ১ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়ে চেয়ারম্যান আসবাবপত্র ক্রয়ের বদলে বিদ্যালয়ে মাটি ভরাট করেছেন মর্মে চেয়ারম্যান এরশাদ আলীর নিজে স্বীকার করেছেন।

অনুসন্ধানকালে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন ৩ বছরের মধ্যে বিদ্যালয়ে কোন রকম উন্নয়নমুল কাজ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে একত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মন্নান চকদার জানিয়েছেন বিগত ৩ বছরে এলজিএসপির কোন উন্নয়নমুলক কাজ বিদ্যালয়ে করা হয়নি। তবে তাকে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন কিছু অর্থ বরাদ্দ আছে যা দিয়ে বিদ্যালয়ে কাজ করানো হবে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন খান জানিয়েছেন বিগত ৩ বছরের মধ্যে বিদ্যালয় আঙ্গিনায় যতসামান্য মাটি ভরাটের কাজ করানো হয়েছে।

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মামুন খন্দকার জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক বলেছেন ৩ বছরে কোন উন্নয়নমুল কাজ হয়নি।

তাহলে প্রশ্ন হলো ২ লাখ টাকা গেল কোথায়। তিনি জানান দ্রুত এর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন করতে চেয়ারম্যানকে বাধ্য করা হবে। অন্যতায় আইনগত পদেক্ষপ নেয়া হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী দুইবার দুই রকম বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি প্রথমে জানিয়েছেন শুধু ্এক লাখ টাকা আসবাবপত্র ক্রয় বাবৎ বরাদ্দ থেকে মাটি ভরাট করেছেন। এছাড়া কোন বরাদ্দ তিনি পাননি। দ্বিতীয় দিন তিনি বলেছেন আসবাবপত্রও তিনি ক্রয় করেছেন।

-সুজন মিয়া