বানিয়াচংয়ে ইউপি সদস্য সুমন আখঞ্জি ও সমাজ কর্মী রেজাউল হক রতনের বিরুদ্ধে টকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন অভিযোগকারী প্রতিবন্ধী মাকসিনা আক্তার।

বৃহস্পতিবার বানিয়াচং সমাজসেবা অফিসার বরাবরে লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে অভিযোগটি প্রত্যাহার করেন।

জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে সাগর দিঘীর পূর্বপাড় মহল্লার আব্দুস সাত্তারের প্রতিবন্ধী কন্যা মাকসিনা আক্তার তার অভিবাককে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন যে বানিয়াচং থেকে বদলী হওয়া সামজ কর্মী রেজাউল হক রতন ও ইউপি সদস্য সুমন আখঞ্জি নাকি মাকসিনা বেগমের ভাতার টাকা ২৪ হাজারের মধ্যে ১৩ হাজার টাকা নিয়ে যান।

অভিযোগ শুনার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জন্য সমাজসেবা অফিসারকে নির্দেশ দেন ইউএনও। পরে ওই প্রতিবন্ধী সমাজসেবা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরদিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতিবন্ধী মাকসিনা তার পিতা আব্দুস সাত্তারকে সাথে নিয়ে সমাজসেবা অফিসার বরাবর একটি লিখিত পত্রের মাধ্যমে তার অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন। পত্রে মাকসিনা জানায় একটি মহল ভ‚ল বুঝিয়ে তাদের দিয়ে অভিযোগটি করায়। বিষয়টি ছিল ভুল বুঝাবুঝি।

এব্যাপারে বানিয়াচং সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রধান জানান, অভিযোগ পেয়ে আমরা দ্রæত তদন্তে নামি। কিন্তুু তদন্ত শেষ হতে না হতেই অভিযোগকারী অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও সমাজ কর্মীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভুুল বুঝাবুঝির কারনে করেছিলেন মর্মে প্রতিবন্ধী স্ব-শরীরে এসে তার পিতা-মাতাসহ একটি লিখিত পত্র জমা দিয়েছেন। এবং তার প্রতিবন্ধী ভাতার বহি ও টাকা সঠিকভাবে পেয়েছেন মর্মে অবগত করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে কথা হয় প্রতিবন্ধী মাকসিনার পিতা আব্দুস সাত্তারের সাথে। তিনি বলেন, বিষয়টি ভুুল বুঝাবুঝির কারনে ঘটছিল।

বৃহস্পতিবার সমাজসেবা অফিসার বরাবর লিখিত পত্রের মাধ্যমে আমার মেয়ে আমাকে এবং আমার স্ত্রী গুলজান বিবিকে সাথে নিয়ে মাকসিনা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে।

এব্যাপারে ইউপি সদস্য সুমন আখঞ্জি জানান, আমার মানহানি করার জন্য আমার এলাকার এক দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মচারী ও আমার নির্বাচনী এক প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীসহ কয়েকজন লোক ওই প্রতিবন্ধী পরিবারকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছিল। কিন্তুু অবশেষে সত্যের জয় হলো। তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে।

-জীবন আহমেদ লিটন/বানিয়াচং