বাকৃবিতে কৃষি প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর

চার দফা দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে গত ৯দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করা হয়। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন আরো কঠোর হবে বলে হুশিয়ারি দেন তারা।

চলমান আন্দোলনের ধারাবহিকতায় দুপুর ১টার দিকে কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যলয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে নিজস্ব অনুষদে এসে শেষ হয়। এর আগে প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে অনুষদীয় ভবনে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, বিসিএসের মাধ্যমে টেকনিক্যাল ক্যাডারে কৃষি প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিতে প্রতিটি উপজেলায় নতুন পদ সৃষ্টি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি প্রকৌশলীদের জন্য আলাদা উইং চালু, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) কৃষি প্রকৌশলীদের নিজস্ব পদ নিরূপন করা, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের অধীনে কৃষি বিষয়ে সরকারি স্কুল-কলেজের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কৃষির পাশাপাশি কৃষি প্রকৌশলীদেরও সুযোগ প্রদানে তারা আন্দোলন করছেন।

মিছিল শেষে সমাবেশের আয়োজন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বলেন, যান্ত্রিকীরণের যুগে বিপুল জনসংখ্যার বিপরীতে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ খুবই কম। অল্প জমিতে অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকদের অবশ্যই প্রযুক্তি নির্ভর হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কৃষিতে প্রযুক্তির ছোঁয়া না লাগায় কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াসহ অনেক অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার যদি কৃষির ব্যাপক উন্নতি চান তবে প্রত্যেক উপজেলায় কৃষি গবেষণাগার স্থাপন করে সেখানে কৃষি প্রকৌশলীদের কাজের সুযোগ দিতে হবে। যারা ওই উপজেলায় কৃষকের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে কৃষকের হাতে তাদের কাঙ্খিত প্রযুক্তি তুলে দিবে।

তানিউল করিম জীম/বাকৃবি