দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত হচ্ছে বাংলা উৎসব। শুক্রবার বিকেলে কলকাতা রবীন্দ্রসরোবরের নজরুল মঞ্চ মিলনায়তনে শুরু হয় এই সাংস্কৃতিক উৎসব। এতে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের অনেক শিল্পী।

তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, বন্ধন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চন্দ্রশেখর ঘোষ, বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট ইন্দ্রজিৎ সেন, নাথিং বিয়ন্ড সিনেমার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরিন্দম শীল, পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার প্রমুখ।

উদ্বোধনের পর এবারের আয়োজনে আজীবন সম্মাননা জানানো হয় বাংলাদেশের শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও ভারতের শিল্পী আরতী মুখোপাধ্যায়কে।

প্রথম দিনের পরিবেশনায় ছিলেন, নচিকেতা চক্রবর্তী, ফাহমিদা নবী, বাপ্পা মজুমদার, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, লোপামুদ্রা ও প্রমুদ্ধ রাহা প্রমুখ। সবার শেষে মঞ্চে ওঠেন দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী অনুপম রায়। পরিবেশনার পর ভীষণ বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি।

এদিন অনুপম রায় মঞ্চে উঠতে উঠতে দর্শকসংখ্যা অনেক কমে যায়। অল্প কিছু দর্শকের উপস্থিতিতে অনুপম গেয়ে শোনান, ‘বোবা টানেল’, ‘বাড়িয়ে দাও তোমার হাত’, ‘গভীরে যাও’, ‘যে কটা দিন তুমি ছিলে পাশে’ গানগুলো। গান পরিবেশনা শেষে অনুপম রায় বলেন, উৎসব করলে ঠিকমতো প্রস্তুতি নিয়ে করতে হবে। কোনো প্রচারণা নেই কিছু নেই, লোকে জানবে কীভাবে যে এখানে কিছু একটা হচ্ছে!’ তিনি আরও বলেন, ‘ডিসিপ্লিন না থাকলে এত বড় করে কিছু করা যাবে না, ছোট করে করতে পারত। যেখানে অনেক বড় শিল্পী থাকেন, সেখানে সময়ানুবর্তিতাটাই মূল কথা। ১০টার সময় সাউন্ড চেক মানে ১০টাতেই করা উচিত। তখন যদি কেউ বসে বসে তার গোঁজে, তখন কিন্তু কাজ করা মুশকিল।

এদিকে বাংলা উৎসবের দ্বিতীয় দিন তথা আজ শনিবার পরিবেশনায় থাকছেন- গৌতম দাস বাউল, বুলবুল ইসলাম, লাইসা আহমদ, অদিতি মহসিন, জয়তী চক্রবর্তী, ইফফাত আরা দেওয়ান, খায়রুল আনাম শাকিল, ইন্দ্রানী সেন, ব্যান্ড চিরকুট, আকাশ ভট্টাচার্য ও অঙ্কিতা বসু প্রমুখ।