পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ পাকিস্তানের কারও ভিসা বন্ধ করেনি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন। ২১ মে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।

লোকবলের অভাবে ভিসা প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল মোমেন। তিনি জানান, ব্যক্তি বিশেষের জন্য ভিসা বন্ধ থাকতে পারে পাশাপাশি ইসলামাবাদে বাংলাদেশের এক দূতাবাস কর্মকর্তার ভিসা পাকিস্তান নবায়ন না করায় ভিসা প্রদানের জটিলতা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কাউন্সিলরের ভিসার মেয়াদ না বাড়ানোয় তিনি সেখানে গিয়ে ভিসা প্রসেস করতে পারছেন না জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ পাকিস্তানের কারও ভিসা বন্ধ করেনি। তবে ব্যক্তি বিশেষে ভিসা বন্ধ থাকতে পারে।’

আলোচনার মাধ্যমে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমস্যাটি সমাধান হবে বলেও আশা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল মোমেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চার মাস ধরে পাকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (প্রেস) ইকবাল হোসাইনের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন ঝুলিয়ে রেখেছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ মার্চ ইকবালের ভিসা মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে বলে বারবার আশ্বাস দেয়া হয়। এ বিষয়ে কয়েকটি বৈঠক এবং চিঠি চালাচালিও হয়েছে। কিন্তু সকল প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ঢাকায় দীর্ঘদিন পাকিস্তানি হাইকমিশনার না থাকার প্রসঙ্গে ড. মোমেন জানান, একজন কূটনৈতিকের ব্যাপারে ঢাকার আপত্তি ছিল কিন্তু তারপরে নতুন করে আর কাউকে হাইকমিশনার মনোনয়ন করেনি ইসলামাবাদ।

২০ মে সোমবার পাকিস্তানের একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের খবরে বলা হয়, পাকিস্তানিদের জন্য বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এতে বলা হয়, ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশি এক কূটনীতিকের ভিসা নবায়নে দেরি করার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আজকের পত্রিকা/মন্ত্রণালয়/আ.স্ব