মিরাজকে দু-একবার ফেসবুক অনলাইনেও দেখা যায় বলে জানায় মিরাজের পরিবার। ছবি : সংগৃহীত

নিখোঁজ হয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১৮ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি কিশোর মোহাম্মদ মিরাজ। আমিরাতে সে বাবা-মার সঙ্গেই থাকত। মিরাজের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে। মিরাজের মেঝ ভাই শাহাদাৎ হোসাইন সাদ্দাম জানান,  চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি পরিবারকে না জানিয়ে মিরাজ দুবাই থেকে সালামা ফ্লাইটে করে ওমানের মাসকাট এবং সেখান থেকে ঢাকা এয়ারপোর্ট হয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে এ তথ্য জানতে পেরেছি আমরা। তবে এর আগে আজামান পুলিশ স্টেশনে জিডি (জি.ডি নং ১৭৫৫৯) করি আমরা।

পুলিশ জানায়, এ ব্যাপারে একমাত্র সিআইডি চাইলে হয়তবা সাহায্য করতে পারবে। তারপর সিআইডির শরণাপন্ন হলে সিআইডি তথ্য দেয় যে, মিরাজ এখন ওমান হয়ে বাংলাদেশে গেছে। তাই চাইলেও তারা কিছুই করতে পারবেন না।

এখন পর্যন্ত বাবা-মায়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি মিরাজ। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে মিরাজ তৃতীয়। বাবা দেলোয়ার হোসেন ছোটখাটো ব্যবসা করেন আজমানে।

মিরাজের মা জানান, তার ছেলে খুব শান্ত স্বভাবের, এমনকি কোনো সময় কারও সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদেও লিপ্ত হয়নি।

মিরাজ বাংলাদেশে এসেছে শুনে তার পরিবার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের এ ব্যাপারে জানান। এর মধ্যে মিরাজকে দু-একবার ফেসবুক অনলাইনেও দেখা যায় বলে জানায় মিরাজের পরিবার। কিন্তু বিভিন্ন আইডি থেকে বার্তা দিয়ে ফিরে আসার জন্য বলা হলেও মিরাজের কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

তবে এখন আর মিরাজের ফেসবুক আইডি অ্যাকটিভ পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানায় জিডিও (জিডি নং ১১৯২) করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব অফিসেও জানানো হয়। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

তার বাবা-মা জানান, এখন একমাত্র আশা বাংলাদেশ সরকার। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন জানান, তিনি যেন এ বিষয়ে অবশ্যই কোনো সহযোগিতা করেন।

আজকের পত্রিকা/বিএফকে/আ.স্ব/জেবি