মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

বাংলাদেশ বাঁধ তৈরির করার ফলে শুকিয়ে যাচ্ছে আত্রেয়ী নদী, গত মঙ্গলবার কলকাতার বিধানসভায় এমনটাই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও অভিযোগ করে জানান, বিষয়টি নিয়ে ঢাকার সঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করছে না কেন্দ্র সরকার।

বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় বলেন, ‘বাঁধ তৈরির ফলে, দক্ষিণ দিনাজপুরের বাসিন্দাদের ভোগান্তি হচ্ছে। রাজ্য থেকে কেন্দ্রকে সবকিছু পাঠানো হয়েছে, তবুও কেন্দ্র বিষয়টি দেখছে এবং এটিকে হাল্কাভাবে নিচ্ছে।’ শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশ হয়ে আবারও দক্ষিণ দিনাজপুরে এসেছে আত্রেয়ী নদী। এই নদীর জলের ওপরেই নির্ভর করে চাষের কাজ থেকে শুরু করে জীবিকা নির্বাহ করেন মৎস্যজীবীরা।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ আত্রেয়ী নদী। প্রায় হাজারখানেক মানুষের জীবন জীবিকা নির্ভর করে এই নদীর পানির ওপর।

এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ বাঁধ তৈরি করার ফলে গরমকালে এই নদীর জল খুবই নেমে যাচ্ছে, প্রায় শুকিয়েই যাচ্ছে। এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছি।’

মমতা আরও বলেন, ‘তিস্তার জলবণ্টন মেনে না নেওয়ায় তারা দুঃখ পেয়েছে…আমার ক্ষমতা থাকলে, নিশ্চিতভাবেই আমি তাদের সঙ্গে তিস্তার জল বণ্টন মেনে নিতাম …আমার কোনও সমস্যা নেই…বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু…এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।’

পদ্মাপারের দেশের সঙ্গে তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে এপার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন, বাংলাদেশের সঙ্গে জলবণ্টন চুক্তি করেছিলেন জ্যোতি বসু।’

আজকের পত্রিকা/এমইউ