আসাদুজ্জামান স্বপ্ন
সিনিয়র রিপোর্টার

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদের আয়োজনে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ছবি : আজকের পত্রিকা

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের ভেতরে বসে হাতি-ঘোড়া মারলে খালেদা জিয়ার মুক্তি আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

সিনিয়র নেতাদের সামনে রেখে আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার জন্য বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, যাকে-তাকে দিয়ে তাড়াহুড়ো করে কর্মসূচি দিলে সুফল পাওয়া যাবে না। আর কর্মসূচি সফল না হলে বেগম জিয়ার মুক্তিও মিলবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদের আয়োজনে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘রাজপথে নামেন। ভ্যান-ট্রাক নিয়ে মিছিল করেন। শোডাউন দিন। রাস্তায় বসে মোনাজাত ধরেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের ভেতরে বসে হাতি-ঘোড়া মারলে খালেদা জিয়ার মুক্তি আসবে না।

তারেক জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তাড়াহুড়ো কইরেন না। সরাসরি মিটিং ডাকেন। মওদুদ, মোশাররফ, হাফিজ, এদের সামনে রেখে মিটিং ডাকেন। তাহলে আন্দোলন গড়ে উঠবে। না হলে খালেদা জিয়া সহজে বের হতে পারবেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘রিজভীর মাধ্যমে মিটিং না করে সিনিয়র নেতাদের ডাকেন। আপনি আরেকজন রিজভী হয়ে যাবেন না।’

তারেক রহমানের সমালোচনা করে বলেন, ‘আপনি লন্ডনে বসে স্কাইপিতে কথা বলবেন ঠিক আছে। তবে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বসেন। তা না হলে ভুল ভ্রান্তি হবে। আপনি ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীদের ধৈর্য ধরতে হবে।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজপথের আন্দোলন ছাড়া মুক্ত করা সম্ভব নয়। আগামীতে প্রত্যেক দিন মিছিল করেন। রাস্তায় থাকেন। ব্যারিস্টার মওদুদ-মোশাররফ হোসেন রাস্তায় আসেন। বিএনপি আজকে যদি চায়, আজ বিকালে এখানে ১ হাজার মহিলার জমায়েত হতে পারে। সবাই রাস্তায় বসে থাকেন। এরপরও কিছু না হলে রাস্তায় বসে খোদার কাছে মোনাজাত ধরেন। একদিন বিএনপি, আরেকদিন ছাত্রদল, তারপর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল-এভাবে টানা ১৭দিন মাঠে থাকেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি অবশ্যই হবে।’