দুই আসামি।

আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি টিকটক হৃদয় ও সন্দেহভাজন গ্রেফতার স্কুলছাত্র রাতুল।

রবিবার সন্ধ্যার পর বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তারা এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত টিকটক হৃদয়কে বরগুনার জেল হাজতে এবং স্কুলছাত্র রাতুল সিকদারকে বরিশালের একটি শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বিকেলে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয়কে তৃতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে এবং সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রাতুল সিকদারকে তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, রিমান্ড শেষে দুই অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হলে তারা উভয়ে রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে আদালত টিকটক হৃদয়কে বরগুনার জেল হাজতে এবং স্কুলছাত্র রাতুল সিকদারকে বরিশালের একটি শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ৯ জুলাই সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাব্বি রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

১ জুলাই আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা তানভীর একই আদালতে রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

৪ জুলাই রিফাত হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামি মো. হাসানও একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ৫ জুলাই একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া ও তদন্তে বেরিয়ে আসা অভিযুক্ত মো. সাগর এবং নাজমুল হাসান।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস