বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ এবং গুলশান এভিনিউর বাণিজ্যিক প্লটগুলোতে ১৫ তলা (১৫০ ফুট) পর্যন্ত উচ্চতার সীমারেখা বেধে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অবাক বিস্ময়ের সাথে দেখি, এই দুই জায়গায় কিছু কিছু বিল্ডিং ১৫ তলার অনেক বেশি। ছবি : আজকের পত্রিকা

আমাদের হাই-রাইজ (১০ তলার উপরে) দালান বানাতে সিভিল এভিয়েশন এর অনুমোদন লাগে। তাঁরা দেখেন, বিমান চলাচলে এই দালানটির উচ্চতা প্রতিবন্ধকতা করে কী না। এর নিমিত্তে বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ এবং গুলশান এভিনিউর বাণিজ্যিক প্লটগুলোতে ১৫ তলা (১৫০ ফুট) পর্যন্ত উচ্চতার সীমারেখা বেধে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অবাক বিস্ময়ের সাথে দেখি, এই দুই জায়গায় কিছু কিছু বিল্ডিং ১৫ তলার অনেক বেশি।
আমি বুঝতে পারিনা, প্লেন নামতে পাশপাশি দুই বিল্ডিং যদি থাকে, একটা যদি ১৫ তলার বেশি হয় প্লেনের সমস্যা বলে সিভিল এভিয়েশন উচ্চতা বাড়াতে না দেয়, তাহলে পাশের দালান ২২ তালা হলে কি প্লেনের সমস্যা হবে না ?

খোঁজ নিয়ে দেখুন, এমন কতোগুলো উদাহরণ গুলশান এভিনিউ আর কামাল আতাতুর্কে আছে।
কারা এই প্ল্যান পাশ করায় ?
কে করে ?
প্ল্যান পাশ না করে কি দালান উঠেছে ?
উঠলে সেখানে ইউটিলিটি কানেকশন হয় কী করে ?

লেখক : শাকুর মজিদ, স্থপতি, লেখক।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস