ফেসবুকে প্রেম এরপর স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম। রোববার ভোররাতে শ্যামনগর সদরের গোপালপুর এলাকা থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে শ্যামনগর থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা হাফিজুল ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে গেলেও গোপালপুর গ্রামের প্রবাসী রজ্ঞুর স্ত্রী আয়েশা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ। গত ১৮ আগষ্ট সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ হয় ওই স্কুলছাত্রী।

স্কুলছাত্রী (১৪) মেয়েটি উপজেলা কৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম শৈলখালি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। হাফিজুল ইসলাম গোপালপুর গ্রামের মৃত. আব্দুল হামিদ সরদারের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

স্কুলছাত্রী মেয়েটি ও তার পরিবার জানায়, ফেসবুকের মাধ্যমে হাফিজুল ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। একটা সময় প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৮ আগষ্ট (রোববার) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় হাফিজুল। এরপর শ্যামনগর সদরের গোপালপুর এলাকায় হাফিজুলের পরিচিত প্রবাসী রজ্ঞুর বাড়িতে রাখে। সেখানে টানা আট দিন জোর পূর্বক শারিরীক সম্পর্ক করে হাফিজুল। এসব কাজে সহযোগিতা করে প্রবাসীর স্ত্রী আয়েশা।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) আনিসুর রহমান বলেন, স্কুলছাত্রী রিমা ১৮ আগষ্ট নিখোজ হওয়ার পর তার দাদা নহর আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এরপর পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। রোববার ভোর রাতে গোপালপুর এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার ও গৃহবধু আয়েশা খাতুনকে আটক করা হয়েছে।

তবে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক বহিষ্কৃত সভাপতি হাফিজুল ইসলাম পুলিশের অভিযান টের পেয়ে চাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে আটকের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হাফিজুল ইসলাম ও গৃহবধু আয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বৈশাখী/সাতক্ষীরা