কাল পহেলা ফাল্গুন। পাখির ডাক আর ফুল ফুটার আকুলতা নিয়ে আমাদের দ্বারে ঋতুরাজ বসন্ত ফাল্গুনের আগমন ঘটেছে।

বিশেষ করে শিমুল ও পলাশের ফুটন্ত পাঁপড়িতে কবি লিখে দিয়েছে কবিতার ছন্দ। মর্মে মর্মে জেগে উঠছে আনন্দ বার্তা। বাংলার আবাহন কালের যুবাদের কাছে ভালোবাসার মাস ফাল্গুন।

যৌবনের আত্মিক এক অনাবিল প্রেরণার উদ্ভাসিত বসন্ত সময়। টগবগ হৃদয়ে অশ্বারোহী প্রেমিক যেন ছুটছে দিকবিদিক। এই লালিত স্বপ্ন ও গৌরবে বার বার মনের আখরে দোলা দিয়ে ঘটে প্রতি বছর বসন্তের আবির্ভাব।

সারাদেশের মতো নরসিংদী জেলার পলাশ ঘোড়াশাল রেল স্টেশন, নরসিংদীর বাউল আখড়া, সামসুদ্দিন পার্ক, ড্রিমলেন্ড হলিডে পার্ক, শিবপুর, বেলাবো লালটিলা ও মেঘনা পাড়ে সকাল থেকে জমে উঠবে তরুন যুবাদের মিলনমেলা।

এযে অপুর্ব এক জীবনের কলগানের প্রাণ উচ্ছাস। অন্তরের সকল দুঃখকে ছেড়ে পবিত্রতার এক মেইল বন্দন। যা শুধুই জিবনকে ছুঁয়ে দেখার নির্ভেজাল আত্মিক স্পন্দন।

কবির ভাষায় বলতে গেলে শেষ আবেগটি আমাদের ফুল ফুটুক আর না ফুটুক কাল বসন্ত ফাল্গুন। আহা কি আনন্দ প্রাণে। আহা কি জীবন জাগরণে খুলে গেছে চিত্ত আজ নব উল্লাসে। বসন্ত আসে দ্বারে নব সাঁজে।

–বোরহান মেহেদী