এম. এ. আর. শায়েল
সিনিয়র সাব এডিটর

পৃথিবীটা এখন বিশ্ব গ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ। আর বিশ্ব গ্রামে এক নতুন ধরনের যোগাযোগের মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ব্লগের মতো ইন্টারনেটভিত্তিক এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন। চিরাচরিত মিডিয়ার পাশে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই ইন্টারনেট, সামাজিক নেটওয়ার্ক একটি ‘শক্তি’। কেউ কেউ মনে করছেন এই ‘শক্তি’ একটি পরিবর্তন আনার জন্য যথেষ্ট। সাম্প্রতিক স্যোশাল মিডিয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। সেসব ছাত্রছাত্রীদের স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে পাঠকীয় তৈরি করেছেন –মনোয়ারা জাহান রিয়া

পড়াশুনার তথ্য পাই

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গুগোল কম-বেশি ব্যবহার করা হয় আমার। রাতে কখনো ২-৩ ঘণ্টা, কখনো ৩-৪ ঘণ্টা এসবের পিছে ব্যয় করা কর। তবে সারাদিনে প্রয়োজন না হলে একেবারেই না। অপ্রয়োজনে মোবাইল ফোন চালানো আমার পছন্দ না। ফেসবুক বা গুগলে পড়াশুনার তথ্য পাই তাই বলে এগুলো ব্যবহার করি, এর চেয়ে বেশি কিছুই না। আমার মনে হয় কিছু ক্ষেত্রে পড়াশুনার জন্য মিডিয়া খুব উপকারি। একটা প্ল্যাটফর্মেই এক সঙ্গে সবার কাছে পৌঁছানো যায়। কিন্তু বাজে বাজে জিনিসগুলো ভাইরাল হয়ে কেলেঙ্কারি অবস্থা তৈরি হয়, এটা অপকারিতা। ভালো কাজে না লাগিয়ে আমরাই উল্টা পাল্টা ব্যবহার করি। স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার না করলেও আমার সমস্যা হয় না। তবে ভার্সিটির বিভিন্ন তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ পাওয়ার জন্য অন্তত একবার অনলাইন হতেই হয় আমাকে।
ইভা ইউজিনিয়া বর্মণ, ২৩