মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কর্মাস এর লোগো। ছবি: সংগৃহীত

প্রস্তাবিত বাজেট নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেছেন চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর প্রেসিডেন্ট মনোয়ারা হাকিম আলী।

১৩ জুন অর্থমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাব পেশের প্রেক্ষিতে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শিশুদের জন্য বরাদ্দবৃদ্ধি, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। যোগাযোগ খাতের সংস্কার ও উন্নয়নের ফলে দেশের সামগ্রীক অর্থনীতি বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বর্তমান সময়ে সব চাইতে আলোচিত ব্যংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কারের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি। কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যের মূল্য হ্রাস এবং সারের মূল্য স্থিতিশীল রাখা কৃষকের জন্য সহায়ক হবে।

এছাড়া সিগারেট ও তামাক জাতীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি যুক্তি যুক্ত যা, ধূমপানে মানুষকে নিরুসাহিত করবে। ভোজ্য তেলের মূল্য বৃদ্ধি সাধারণ জনগনের জীবন-যাত্রায় কিছুটা ব্যহত হবে। এছাড়া অগ্রীম কর প্রদানের সীমা ৪ লক্ষটাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৬ লক্ষটাকা করা এবং এসইমই খাতে টার্ণওভার ৩৬ লক্ষটাকা থেকে ৫০ লক্ষটাকা উন্নীত করা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শল্পকে সম্মৃদ্ধ করবে। তৈরী পোশাক শিল্পের করের হার অব্যহত রাখা এবং হস্তশিল্প রপ্তানিতে ৫ বছর পর্যন্ত করমুক্ত রাখার প্রস্তাব উভয় শিল্পের জন্য ইতিবাচক।

সর্বোপরি, এসএমইসহ নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে এবারের বাজেট অত্যন্ত সহায়ক হবে, তবে ব্যক্তিখাতে করের সীমা বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের করের সীমাবৃদ্ধি করা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। এছাড়া দুদক-কে শক্তিশালী করার প্রস্তাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই।

আজকের পত্রিকা/এমইউ