নিজেকে কোন পোশাকে মানাবে সে ভাবনাৃয় ব্যস্ত সিলেটের ক্রেতারা। ছবি : সংগৃহীত

বাঙালি মুসলমানের প্রধানতম উৎসব ঈদ। আর এই ঈদকে সামনে রেখেই প্রবাসে থাকা বাঙালিদের পাঠানো টাকায় জমে উঠেছে সিলেটের ঈদ বাজার।

ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে জমতে শুরু করেছে সিলেটে ঈদের বাজার। গত শুক্র ও শনিবার বন্ধের দিন হলেও সিলেট নগরীর অভিজাত বিপণীবিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষ করা গেছে।

সিলেটের ব্যাংকগুলোতে প্রচুর পরিমাণ প্রবাসীদের পাঠানো টাকা এসেছে বলে জানান ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।

এরমধ্যে অতিবাহিত হয়েছে রমজানের প্রথম দশ দিন, বিগত দিনগুলোতে মার্কেটে ক্রেতাদের আনাগুনা তেমন একটা দেখা না গেলেও আস্তে আস্তে জমতে শুরু করেছে সিলেটের ঈদের বাজার। নগরীর জিন্দাবাজারের সিটি সেন্টার, ব্লুুুওয়াটার, লতিফ সেন্টার, কাকলী শপিং সেন্টার, মিলেনিয়াম শপিং সেন্টার, শুকরিয়া মার্কেট, সিলেট প্লাজা, হাসান মার্কেট, ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড, আল-হামরা শপিং সিটিসহ প্রতিটি মার্কেটেই শুক্রবারেও দেখা গেছে ক্রেতাদের আনাগোনা।

ক্রেতারা নিজেদের পছন্দের পোশাকের জন্য শহরের শপিং মলগুলোতে ভিড় করছেন। ছবি : সংগৃহীত

ক্রেতা সমাগম দেখা যাচ্ছে নয়াসড়কের কমলা ভান্ডার, মাহাসহ প্রায় সব শপিংমলে! আসন্ন ঈদে ব্যবসা অন্যবছরের তুলনায় ভালো হতে পারে এটাই প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

সিটি সেন্টারের প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার আব্দুস সামাদ বলেন, ইতিমধ্যে ব্যাবসা কিছুটা জমে উঠতে শুরু করেছে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দের পণ্যের সঙ্গে কসমেটিক সামগ্রী কেনার জন্য প্রস্তুতি শুরু হরেছে।

ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সিটির কাপড়ের ব্যবসায়ী জামাল আহমদ বলেন, ‘প্রতিবছর ঈদে যে পরিমাণ ব্যবসা হয় আশা করছি এ বছর আরো ভালো হবে, আগে থেকে মার্কেটে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে, সবাই কেনাকাটা না করলেও এটা ব্যবসায়ীদের জন্য একটা ভালো দিক বলে আমি মনে করি।’

আল-হামরা শপিং সিটির স্বত্বাধিকারী শফিকুর রহমান বলেন, ‘ক্রেতাদের আগমন এ বছর একটু আগেই শুরু হয়েছে বলে মনে হয়, গত দু’দিন অন্যদিনের তুলনায় ভালোই ব্যবসা হয়েছে। আশা করছি এ বছর অন্যবছরের তুলনায় ভালো ব্যবসা করতে পারবো।’

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস/জেবি