মাহমুদ উল্লাহ্‌
বিজনেস করেসপন্ডেন্ট

বাংলাদেশি গার্মেন্ট কারখানায় কর্মরত শ্রমিক। ছবি: সংগৃহীত

রফতানিমুখী পোশাক খাতের জন্য তৈরি হয়েছে ডিজিটাল ম্যাপ বা মানচিত্র। এই মানচিত্রে দেশের সকল পোশাক কারখানার চিত্র ও বিভিন্ন তথ্য স্থান পাবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার রফতানিমূলক ৯৬১টি কারখানার চিত্র ও ও এসব কারখানায় কর্মরত ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪২২ জন শ্রমিকের নাম অর্ন্তভূক্ত হয়েছে। এছাড়াও কারখানাগুলোর অবস্থান, সক্ষমতাসহ পণ্যের মান সম্পর্কেও তথ্য উক্ত মানচিত্রে স্থান পাচ্ছে।

ঢাকা জেলার ৯৬১টি কারখানার মধ্যে ৯৪৮টি বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য। এছাড়া ১৩টি কারখানা রয়েছে, যারা সাব-কন্ট্র্যাক্টিং পদ্ধতিতে পরিচালিত। এসব কারখানায় মোট শ্রমিক সংখ্যা ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪২২ জন। মানচিত্রের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিজিটাল মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত শ্রমিকদের ৬০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী এবং বাকি ৩৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও সিঅ্যান্ডএ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ডিজিটাল মানচিত্রটি তৈরি হচ্ছে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বাংলাদেশ সরকারের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সহায়তায় ‘ম্যাপড ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মানচিত্রটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে শুধু ঢাকা জেলার কারখানাগুলো অন্তর্ভুক্ত হলেও পর্যায়ক্রমে সারা দেশের পোশাক কারখানাকে এ মানচিত্রের আওতায় আনা হবে।

কোনো কারখানায় ক্রয়াদেশ দেয়ার আগে ক্রেতারা কারখানাটির সক্ষমতা, অবস্থান, উৎপাদন ব্যবস্থা, পণ্যসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে এখানে তথ্য পাবেন।

বাংলাদেশ থেকে পোশাক পণ্যের বড় ক্রেতা এইচঅ্যান্ডএমের নাম দিয়ে সার্চ করলে ওয়েবসাইটটিতে দেখা যায়, ৯৬১টি কারখানার মধ্যে সুইডিশ ব্র্যান্ডটির জন্য পোশাক সরবরাহ করে ১২৯টি। এসব কারখানার সিংহভাগই বিজিএমইএর সদস্য।