পেন্সিলে আঁকা বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন। কার্টুনিস্ট : ওয়াং লিমিং

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন নিয়ে পেন্সিলে আঁকা বেশ কিছু ছবি (স্কেচিং) প্রকাশ করেছে ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘বেনারনিউজ’। ২৪ এপ্রিল বুধবার ‘রিবেল পিপার’ নামের ছদ্মনামী কার্টুনিস্টের আঁকা ছবিগুলি প্রকাশ করে বেনারনিউজ।

ছদ্মনামে কার্টুন আঁকেন রেডিও ফ্রি এশিয়ার রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট ওয়াং লিমিং ‘রিবেল পিপার’। আর খালেদা জিয়ার ছবি আঁকতে তাকে ঢাকা থেকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন কামরান রেজা চৌধুরী।

পেন্সিলে আঁকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন। কার্টুনিস্ট : ওয়াং লিমিং

কারাগারে খালেদা জিয়ার কক্ষে যাবার অনুমতি কারো নেই। খালেদা জিয়ার ঘরটি দৈর্ঘ্যে ১০ ও প্রস্থে ৮ ফুট। ঘরে খালেদা জিয়ার জন্য একটি টেলিভিশনও রয়েছে। যেটিতে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) দেখতে পারেন। খালেদা জিয়ার বিছানাটি দৈর্ঘ্যে ছয় ও প্রস্থে ছয় ফুট। ঘরটিতে চেয়ার, টেবিলসহ ব্যক্তিগত ব্যবহার্য অন্যান্য জিনিস রয়েছে বলে বেনারকে জানিয়েছেন কারা কর্মকর্তারা।

পেন্সিলে আঁকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন। কার্টুনিস্ট : ওয়াং লিমিং

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দের বর্ণনা অনুযায়ী বেনারনিউজ খালেদা জিয়ার কারা জীবন দৃশ্যমান করার চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে ছবিগুলির ক্যাপশনের বলা হয়েছে, বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া। দুর্নীতির মামলায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দী। যদিও এই মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হিসেবে দাবি করে আসছেন তিনি।

পেন্সিলে আঁকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন। কার্টুনিস্ট : ওয়াং লিমিং

খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। ২০১৬ সালে সকল বন্দীকে স্থানান্তরের পর ২২৮ বছরের পুরোনো এই কারাগারে খালেদা জিয়াই একমাত্র বন্দী। পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের দোতলায় খালেদা জিয়ার কক্ষ।

পেন্সিলে আঁকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন। কার্টুনিস্ট : ওয়াং লিমিং

কারা কর্মকর্তারা জানান, খালেদা জিয়া ফল ও জুস পছন্দ করেন। তিনি নিজের পছন্দের একটি পত্রিকা পান। তিনি দৈনিক যুগান্তর পড়েন বলে জানান কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে একজন সুবিধাপ্রাপ্ত কয়েদি হিসেবে জেলখানায় খালেদা জিয়ার ঘরটি খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। সব সময় জেল কর্তৃপক্ষ তার খেয়াল রাখেন। আদালতে হাজিরা না থাকলে খালেদা জিয়া সাধারণত দুপুর পৌনে দুইটা থেকে দুইটার মধ্যে ঘুম থেকে ওঠেন। তিনি ‘ঘুম থেকে উঠে সাধারণত স্যুপ খান,’ বলে গণমাধ্যমকে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আজকের পত্রিকা/রাজনীতি/আ.স্ব/