দেশে চালের দাম বেড়েছে। বাড়তি ধানের দামও। কিন্তু এমন সময়ে দাম বাড়ল, যখন প্রান্তিক কৃষকের কাছে ধান নেই। ফলে এই মূল্যবৃদ্ধির সুবিধাভোগী মূলত মিলমালিক, আড়তদার ও বড় কৃষকেরা। আর বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

চালের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ধানের দাম বাড়াকে দায়ী করছেন মিলমালিকেরা। বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিলমালিক সমিতি কুষ্টিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন গণমাধ্যমকে জানান, ‘সরকার গত ৩১ অক্টোবর ধান কেনার বড় ঘোষণা (৬ লাখ টন) দেওয়ার পর থেকে ধানের দাম বেড়ে যায়। এই এক কারণেই চালের দাম বেড়েছে।’

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে চাল আমদানিতে আগের চেয়ে টনপ্রতি ১ হাজার ৬৪০ থেকে দুই হাজার ৪৬০ টাকা বেশি ব্যয় হচ্ছে। বাড়তি মূল্যে আমদানি করা এ চাল স্থানীয় বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া দেশে মজুদ ধানের সংকট রয়েছে। তাই চালের দাম কমতে এবার বোরো মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

অবশ্য কৃষকেরা বলছেন, তাঁদের কোনো লাভ নেই। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের পালশার কৃষক রফিকুল ইসলাম গত বোরো মৌসুমে তিন একর জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন। আড়াই শ মণের মতো হয়েছিল। তিনি বলেন, ধান ওঠার পর বিক্রি করে দায়-দেনা মিটিয়েছেন। এলাকার অন্যান্য কৃষকেরও একই অবস্থা।