এবারই প্রথম নাটোরে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার্থীর ছবি পরিবর্তন করে প্রতারণা করার সুযোগ পাবেন না কেউ। ছবি : সংগৃহীত

পুলিশে নিয়োগ নিয়ে নানা ধরণের দুর্নীতির খবর নিয়মিত গণমাধ্যমে আসে। আর তা দূর করতে এবার সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

এবারই প্রথম নাটোরে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার্থীর ছবি পরিবর্তন করে প্রতারণা করার সুযোগ পাবেন না কেউ। একই সঙ্গে আর্থিক অনিয়মসহ যেকোনো অনিয়মের ব্যাপারে তথ্য জানাতে দুটি হটলাইন সেবা চালু করা হয়েছে।

শনিবার নাটোর পুলিশ লাইন মাঠে কনস্টেবল নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণের জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রের আকাশে ড্রোন ক্যামেরা উড়তে দেখা গেছে।

নাটোরের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন, কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা শতভাগ স্বচ্ছ করতে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা সচেষ্ট। এ কারণে দেশে প্রথমবারের মতো নাটোরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের আঙুলের ছাপ ধারণ করা হচ্ছে। এর ফলে পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার্থীর ছবি পরিবর্তন করে প্রতারণা করার সুযোগ পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া কোনো পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাকে তাৎক্ষণিক বাতিল হিসেবে গণ্য করা হবে। আগেই পুলিশ অফিস থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে নিয়োগের জন্য কারও সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করতে। যেকোনো পর্যায়ে এ ধরনের তথ্য জানা গেলে তাকে বাদ দেওয়া হবে। পরীক্ষায় যোগ্য প্রমাণিত হলে তাকে শুধু ১০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

এসপি বলেন, নিয়োগের সময় যেকোনো অনিয়মের ব্যাপারে তথ্য জানাতে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মুঠোফোন নম্বর হটলাইন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস