ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির। ছবি: সংগৃহীত

ঘুষ লেনদেনের ঘটনা খতিয়ে দেখতে পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে তলব করা হয়েছে। আসন্ন ১ জুলাই সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের হাজির হতে বলা হয়েছে।

২৪ জুন সোমবার ঘুষ কেলেঙ্কারি তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এ কথা জানান।

এদিকে ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৩ কোটি ২৮ লাখ
টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২৪ জুন সোমবার মামলা হওয়ার পর মিজানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুদক। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য ৩ আসামি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ভাই মাহবুবুর রহমান স্বপন ও ভাগ্নে এস আই মাহামুদুল হাসানও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মিজানের আত্মীয়-স্বজনরাও যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে সেজন্য সীমান্তেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

মিজান-বাছিরের ঘুষ কেলেঙ্কারিতে দুদকের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় চলতি বছরের ১৩ জুন। ৩ সদস্যের এ কমিটির প্রধান দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা, অন্য ২ সদস্য সংস্থাটির সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান ও মো. সালাউদ্দিন।

এ বিষয়ে ডিআইজি মিজানের বক্তব্য হলো, অনুসন্ধান থেকে বাঁচতে বাছিরকে জানুয়ারিতে ২ দফায় (২৫ লাখ ও ১৫ লাখ) ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন তিনি। কিন্তু ২ জুন বাছির তাকে জানান, দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারের চাপ থাকায় মিজানকে নির্দোষ প্রমাণ করা যায়নি। বাছিরের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনের একাধিক অডিও প্রকাশ করেন মিজান। ৯ জুন এ বিষয়ে বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন নিউজ বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এরপরেই একই বিষয়ে দেশের সকল গণমাধ্যমগুলোও সংবাদ প্রকাশ করে।

আজকের পত্রিকা/কেএফ