আজকের পত্রিকায় বানিয়াচংয়ের ৩  ভিক্ষুককে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাশ মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তার মহানুভবতায় ওই ৩ ভিক্ষুক ও এক ভিক্ষুকের বিধবা কন্যা পেলেন শীতবস্ত্র।

গত বুধবার সকালে মলয় দাশ তাদের হাতে ৪ টি কম্বল তুলে দেন। শীতবস্ত্র পেয়ে মহা খুশি ওই ৩ ভিক্ষুক ও বিধবা।

প্রকাশ বানিয়াচং উপজেলার ২ ইউনিয়নের অন্তর্গত প্রত্যন্ত অঞ্চল গাগড়াকোনা গ্রামের মৃত আব্দু রহমানের স্ত্রী ষাটোর্ধ অন্ধ ও বিধবা আয়েশা বেগম, শান্ত মিয়ার স্ত্রী ষাটোর্ধ বিধবা লালই বিবি ও সত্তোর্ধ বৃদ্ধা ছাই মিয়ার স্ত্রী ষাটোর্ধ রাতিবুননেছা ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন যাপন করছেন।

তারা সরকারী কোন ভাতাই পাচ্ছেন না মর্মে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় ৩ ভিক্ষুকের কারও কোন পুত্র সন্তান নেই।

৩ জনেরই একটি করে মেয়ে আছে। কিন্তুু ৩ মেয়েরই স্বামী মারা যাওয়ায় তারা ভিক্ষুক মায়ের কাছেই আশ্রিত।

প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সাইফুল ইসলাম প্রধান জানিয়েছেন ওই ৩ ভিক্ষুক অবশ্যই ভাতা পাবেন। আগামীতে যাতে করে প্রকৃত যোগ্যরা ভাতা পায় সেজন্য উপর মহলের নির্দেশে মাইকিং করে উন্মুক্ত পদ্ধিতিতে ভাতাভোগী সনাক্ত করা হবে।

তখন তাদেরকে ভাতার আওতায় আনা হবে। অপরদিকে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে পিআইও প্লাবন পাল তাৎক্ষনিক ওই ৩ ভিক্ষুক ও লালই বিবির বিধবা মেয়েকে শীতবস্ত্র তুলে দিয়ে মহানুভবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

-জীবন আহমেদ লিটন