পাবনা মানসিক হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

পাগল কথাটা যেন এক গালি। অথচ মানসিকভাবে যে কেউই অসুস্থ হতে পারেন। এর চিকিৎসা আছে। প্রয়োজনে ওষুধ সেবন দরকার হতে পারে। তবে এর মাত্রা কত হবে বা কতদিন ধরে তা চলবে তার একটি মাত্রা থাকার কথা।
কিন্তু পাবনার হেমায়েতপুরে অবস্থিত দেশের সর্ব বৃহৎ মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার নামে বন্দি করে রাখা হয়েছে অনেক স্বাভাবিক নারীকে। তাদের হাসপাতালে আসা বাইরের মানুষদের সামনে অঝোরে কাঁদছেন। আমাদের মুক্ত করুণ- এই আর্তনাদ করছেন নারীরা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে এমন এক ভিডিও। তাতে দেখা যাচ্ছে লোহার গ্রিলের ভেতর দিয়ে ক্যামেরার সামনে বেশ কয়েকজন নারী। ক্যামেরা দেখে তারা এগিয়ে আসেন। তুলে ধরেন তাদের জীবনের মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা। ভিডিওতে এক নারী অভিযোগ করেন তার স্বামীর বিরুদ্ধে তাকে নির্যাতনের। আরেকজন অভিযোগ করেন তারই এক পরিবারের সদস্যের বিরুদ্ধে।
ভিডিওতে নারীরা নিজেদের সুস্থ দাবি করেন। তারা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল। প্রকাশ পাওয়া ভিডিওতে অনেকে জানান, তারা মাসের পর মাস ধরে এখানে বন্দি আছেন। পরিবারের কেউ কোনো খোঁজ রাখছেন না। দেখাও করতে আসেন না কেউ। কথা বলার সময় এই নারীরা নিজের আবেগ সামলে রাখতে পারেননি। কেঁদেছেন অঝোরে। বার বার বলছেন, আমরা মুক্ত হতে চাই। কেউ তাদের আগের জীবনের গল্প বলেছেন। কেউ পরিবারের গল্প বলেছেন। কেউ চাকরি জীবনের কথা বলেছেন। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য ব্যাকুল তারা সবাই। অথচ তারা আছেন বন্দি হিসেবে।
এ বিষয়ে পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, আমরাও ভিডিওটি দেখেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

ভিডিও’র লিংক :

পাবনা মানসিক হাসপাতালে মহিলা ওয়াডের চিএ। বাড়ী যাওয়ার জন্য তাদের বুক ফাটা কাঁন্না যেন কিছুতেই থামছেনা।মানবাধিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি আপনারা একটু দেখেন, ওরা পাগল না, পাগল বানানো হয়েছে। আপনারা ওদের পাশে দাঁড়ান

Posted by LBTV on Sunday, 10 February 2019