চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু মার্কিন সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এ সহায়তার পরিমাণ কমে যাচ্ছে। পাকিস্তানকে প্রায় ৪৪ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে ৪৫০ কোটি ডলারের বদলে পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রায় ৪১০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা পাবে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এবং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন নতুন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে করে চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানের যে অর্থ সহয়তা পাওয়ার কথা ছিল তা আর পাচ্ছে না দেশটি।

২০১০ সালে দুই দেশের মধ্যে পাকিস্তান এনহ্যানসড পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বেশ কিছুদিন আগে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বলছে, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের তিন সপ্তাহ আগেই পাকিস্তানকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিল হোয়াইট হাউস।

মার্কিন কংগ্রেসে ২০০৯ সালের অক্টোবরে পাস হওয়া কেরি লুগার বারম্যান আইনে বলা হয়, আগামী ৫ বছর পাকিস্তানকে মোট সাড়ে ৭০০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই অর্থ সহায়তার কমিয়ে ৪৫০ কোটি ডলারে নামিয়ে আনে। আবার তা কমলো।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ৩০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা সহায়তা কমিয়ে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের কারণে এর সাত মাস আগে একই বছরের জানুয়ারিতেও ১০০ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা বাতিল করেছিল পেন্টাগন।