পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে জমে উঠেছে কেনাকাটা।

বাঙালী জাতির প্রাণের উৎসব ‘পহেলা বৈশাখ’। বৈশাখকে ঘিরে বাঙালির চেতনা জুড়ে রয়েছে অন্য রকম আবেগ। উৎসাহ ও দেশীয় সংস্কৃতিকে ধারণ করার আবেগ-অনুভূতি এ বৈশাখী আনন্দকে অর্থবহ করেছে। বৈশাখ মানে উত্তাপ আর উৎসবের আমেজ। চারদিকে সাজসাজ রব। পহেলা বৈশাখে নারায়ণগঞ্জের কেনাকাটা নিয়ে লিখেছেন নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই শুরু হবে বাংলা নতুন বছরের যাত্রা। আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালি বরণ করে নেবে নতুন বছরকে। সকালের নাস্তায় থাকবে পান্তা-ইলিশ আর পরনে থাকবে বৈশাখী নতুন পোশাক। ক্রেতাদের এই পোশাকের চাহিদা মেটাতে নারায়ণগঞ্জ শহর ও উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে রঙ-বেরঙের বর্ণিল রং ও নকশার বৈশাখী পোশাক।

এখানকার নারী-শিশুসহ সকলেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন বৈশাখ উৎসব পালনের। সাধ্যানুযায়ী কেনা হচ্ছে বৈশাখী নতুন পোশাক। বাজারের কাপড় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানে নারীদের জন্য বৈশাখী শাড়ি, পুরুষদের জন্য গামছা-পাঞ্জাবি এবং শিশুদের জন্য রঙবেরঙের হরেক রকমের বৈশাখী নতুন পোশাক তোলে দোকান সাজিয়ে বসে আছেন।

পহেলা বৈশাখে পছন্দের পোশাকটি কিনতে দোকান এবং শপিংমলগুলোতে এখন ক্রেতাদের ভিড়। প্রত্যেকেই নিজস্ব রুচির পোশাকটি কিনে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে গ্রামাঞ্চলে বৈশাখের আগের দিন মূল বেচা-বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দোকানিরা।

সরেজমিনে ১৩ এপ্রিল শনিবার বৈশাখ উদযাপনের আগের দিনে নারায়ণগঞ্জ শহর ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের বিভিন্ন শপিং সেন্টারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। তারা তাদের পছন্দমতো জামাগুলো কিনতে এসব শপিং সেন্টারগুলোতে আসছেন।

বৈশাখী সাজে সাজতে সমাজের মধ্যবিত্তরা ভিড় করছেন শহরের বিভিন্ন পয়েন্টের ফুটপাতের দোকানগুলোতে। বৈশাখ উদযাপনে মেতে উঠতে তারা তাদের নতুন পোশাকটি কিনে নিচ্ছেন এখান থেকে। রাত পোহালেই পূর্বাকাশে উদিত হবে বাংলা নতুন বছরের সূর্য। এসব দোকানিরা আশা ব্যক্ত করে বলেন বৈশাখের আগের দিন হওয়ায় আজ রাত অবধি এই রকম বেচা-কিনা থাকবে।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস