ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে কমছে না বৃষ্টির দাপট। ছবি : সংগৃহীত

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে বৃষ্টির দাপট যেন কমছেই না। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপে বৃষ্টির জন্য ৩টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। এই সপ্তাহে আরও কয়েকটি ম্যাচে আছে বৃষ্টির হুমকি।

এবার বিশ্বকাপে যেহেতু একটিমাত্র গ্রুপে সবগুলো দল খেলছে, তাই সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্যে প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই প্রত্যেকটি দলের প্রত্যেকটি ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ যা দলের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে যাওয়ায় তীব্র নিন্দা সমালোচনার মুখে পড়েছে আইসিসি।

গ্রুপ পর্বের পরিত্যক্ত ম্যাচগুলির পুনরায় খেলার জন্যে কোনো সংরক্ষিত বা রিজার্ভ ডে না থাকার জন্য আয়োজনের জটিলতা ও টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়াকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পরিত্যক্ত ম্যাচগুলোর জন্য বছরের এ সময়ে ইংল্যান্ডের অস্বাভাবিক আবহাওয়াকেও দায়ী করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

৭ জুন শুক্রবার পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা, ১০ জুন সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ  বৃষ্টির কারণে শেষ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া সর্বশেষ ১১ জুন মঙ্গলবার বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচও ভেসে যায় বৃষ্টিতে।

১১ জুন মঙ্গলবার আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকতা ডেভিড রিচার্ডসন জানান, শুধুমাত্র সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্যে সংরক্ষিত দিন রাখা হয়েছে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচের জন্যে তা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখলে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিযোগিতার দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেত এবং কার্যত এটা আয়োজন করা খুব জটিল হয়ে দাঁড়াতো। তাছাড়া পিচ প্রস্তুত করা, দলগুলোর ম্যাচের ধকল সামলানো ও ভ্রমণের দিনগুলো, ভেন্যুর প্রাপ্যতা, টুর্নামেন্টের জন্য প্রয়োজনী লোকবল, স্বেচ্ছাসেবক ও ম্যাচ অফিশিয়ালদের পাওয়া, ব্রডকাস্ট লজিস্টিকস এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক দর্শকদের ওপর প্রভাব ফেলতো। আর রিজার্ভ ডেতে যে বৃষ্টি হতো না তার কোনো নিশ্চয়তাও নেই’।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর আইসিসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিলেন বাংলাদেশের কোচ স্টিভ রোডস।

অবশ্য রিচার্ডসন ইংল্যান্ডের এ মৌসুমে আবহাওয়ার অস্বাভাবিক আচরণকেও দায়ী করে বলেন, ‘গত দুই দিনে আমরা জুনের গড় মাসিক বৃষ্টিপাতের দ্বিগুণেরও বেশি বৃষ্টি দেখেছি। অথচ এটা সাধারণত ইংল্যান্ডের তৃতীয় শুষ্কতম মাস’।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর