আদালত। প্রতীকী ছবি

পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন মরিচবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ. কে এম মনিরুজ্জামান জাকির প্যাদার পূর্ব মরিচবুনিয়া গ্রামস্থ বসত ঘরে রাতের আধারে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে  ভাংচুর এবং তার বাবা-মাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

জাকির প্যাদা বাদি হয়ে পটুয়াখালী থানায় নাজমুল হক আকন (৩৫), শফিক আকন (৪৫), রফিক আকন (৩২), আনোয়ার আকন (৫০), মিঠু আকন (২৫), মহসিন আকন (৩২), জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৪২),কামাল হাওলাদার (৪৫), ইয়ামিন আকন (২২) সর্ব সাং মরিচবুনিয়া সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

যার জিআর মামলা নং-২৭/২০ইং।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনীতে জানা যায়, মামলার বাদী এ. কে এম মনিরুľামান জাকির এবং আসামীরা একই এলাকার লোক।

বাদী গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন এবং আসামীরা তার বিপক্ষে অন্য প্রার্থীদের সাথে যোগ দিয়ে তার সাথে বিরোধের সৃষ্টি করে।

আসামীরা এলাকায় খারাপ প্রকৃতির লোক হিসেবে পরিচিত। উক্ত নির্বাচনের জের ধরে আসামীরা বাদীর ক্ষতিসাধান করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে বেড়ায়। আসামীরা নাভানা নামক কোম্পানী খুলে কিছুদিন পূর্বে এলাকার ও এলাকার আশপাশ হতে বিভিন্ন কৌশলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। তখন উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে এলাকার লোকজন সহ আশেপাশের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় আসামীদের বাড়ীতে এসে তাদের টাকা চায়।

তাতেও আসামীরা জাকির প্যাদার উপর মিথ্যা দোষ চাপিয়ে তাকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বেড়ায়। ঘটনার দিন ২০ জানুয়ারী ২০২০ইং তারিখ জাকির প্যাদা বাড়ীতে না থাকায় আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বাদীর পূর্ব মরিচবুনিয়ার বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে জাকির প্যাদার উপর অহেতুক অপবাদ দিয়ে কুপিয়ে বসতঘর ভাংচুর এবং ঘরের মালামাল ভাংচুর করতে থাকে। তখন বাদীর বাবা ও মা আসামীদের বাধা দিলে তারা তাদের দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত ও হাড়কাটা জখম করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারি পিটিয়ে জখম করে।

আসামীরা বাদীর মায়ের কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। আসামীরা ঘরে থাকা নগদ সায়ত্রিশ হাজার টাকা ও পালনকৃত গরু নিয়ে যায়।

আসামীরা বসতঘর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে প্রায় এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকার ক্ষতি করে। জাফর প্যাদা খবর শুনে মটরসাইকেল যোগে মচিরবুনিয়া গিয়ে তার বাবা-মাকে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জাফর প্যাদা এই সন্ত্রাসী হামলা এবং তার বাবা-মাকে কুপিয়ে আহত করার সুষ্ঠ বিচার দাবী করেন প্রশাসনের কাছে।

-জান্নাতুল ফেরদৌস