নড়াইলেল বধ্যভূমি

আজ ১০ ডিসেম্বর। নড়াইল জেলা হানাদার মুক্ত দিবস। ২৪ নভেম্বর কালিয়া এবং ৮ ডিসেম্বর লোহাগড়া থানা মুক্ত হওয়ার পর ৯ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হয়ে নড়াইলে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১০ ডিসেম্বর এ অঞ্চল থেকে পাকবাহিনীকে সম্পূর্ণরুপে বিতাড়িত করা হয়, শত্রু মুক্ত হয় নড়াইল।

এর আগে ১০ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তিযোদ্ধারা শহরের পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকায় অবস্থানরত পাকবাহিনীকে ঘিরে ফেলেন। শুরু হয় তুমুল সংঘর্ষ। এ সময় পাকবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত হলে অধিনায়ক বেলুচ কালা খান ‘সারেন্ডার সারেন্ডার’বলে চিৎকার শুরু করেন। এরপর বেলুচ কালা খানসহ ২২ জন পাকসেনা ও ৪৫ জন স্থানীয় রাজাকার এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে।

১৪ ডিসেম্বর মেজর মঞ্জুর নড়াইলে আসেন এবং মুক্তিপাগল হাজারো জনতার উপস্থিতিতে ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

নড়াইল হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।