রাবিতে প্রচারণা।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্যানিটারি ন্যাপকিনের উপর সংযোজন কর নিয়ে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে দাবি করছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অন্যদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

দেশীয় স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানিকৃত উপকরণের উপর পূর্ব আরোপিত ভ্যাট ও শুল্ক থেকে অব্যাহতি প্রদান করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ প্রকাশ করে বলেন, গত ২৮ জুন সংগঠনটি রাজশাহী জিরো পয়েন্ট ও ঢাকার শাহবাগে স্যানিটারি ন্যাপকিনের উপর পূর্ব আরোপিত ভ্যাট, নতুন বাজেট প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেন। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষেরই ভ্যাট সম্পর্কিত কোনো পূর্ণ ধারণা না থাকায় এই ভ্রান্তির তৈরি হয় যে, সরকার নতুন বাজেটে ৪০% ভ্যাট আরোপ করেছে।

ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের সভাপতি নাওরিন আমিনা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোমেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় যে, ‘৪০% ভ্যাট আরোপিত হয়েছে নতুন বাজেটে’ এমন তথ্য আমাদের সংগঠন কখনোই প্রচার করেনি । বরং পূর্ব আরোপিত ভ্যাট থেকে অব্যাহতি দিলে স্যানিটারি ন্যাপকিনের মূল্য অনেকাংশেই কমে যাবে’ এই বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন।

প্রসঙ্গত, এনবিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর ভ্যাট আরোপের ফলে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় নামক একটা সংগঠন এ বিষয়ে মানববন্ধনও করেছে। স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর ৪০ শতাংশ ভ্রাট আরোপ করা হয়েছে এমন প্রচার মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।

এমএ জাহাঙ্গীর/রাবি