নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আব্দুস সালাম হলে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৭ জনকে জরিমানা ও বিভিন্নভাবে শাস্তির সিদ্ধান্ত হয়।

শনিবার রিজেন্ট বোর্ডের জরুরি বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সূত্র জানায়, বিভিন্নভাবে ৩৭ জনকে শাস্তি প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ১৬ জনকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া ৭ জনকে ২০ হাজার টাকা করে এবং ১২ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং ২ জনকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

আগামী সোমবার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে নিশ্চিত করা হয়।

শাস্তির বিষয়ে নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, আমরা তদন্তের ভিত্তিতে এই শাস্তি নির্ধারণ করেছি। শিক্ষার্থীরা তা মেনে নিয়ে ভবিষ্যতে এরূপ কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকবে। এছাড়া কেউ যদি আপিল করে বিশ্ববিদ্যালয় তার এক্টিভিটিজের আলোকে চিন্তা করবে।

গত ৩১ আগস্ট রাত ৯ টার দিকে হলের সামনে প্রকাশ্যে ধূমপান করাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বড় আকার ধারণ করে। এতে হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে এ নিয়ে রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ আব্দুস সালাম হলে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গভীর রাত পর্যন্ত উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। উভয়পক্ষ একে অপরকে ইটপাটকেল ছুড়ে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন।

পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর আবারো ফের সংঘর্ষ বাঁধে। এ দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট ড.ফিরোজ মারাত্মক আহত ইহন। গভীর রাত পর্যন্ত হলের ভেতরে ও বাহিরে দু’গ্রুপের ধ্বংসলীলা চলে। এ দিনও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মো. বাহাদুর ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।

-এস আহমেদ ফাহিম/নোবিপ্রবি