দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত।ছবি:সংগৃহীত

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বোরো ধান কেটে না দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ আহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত ১৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের নেত্রকোনা-কেন্দুয়া সড়কের দুর্গাপুর মোড় নামক স্থানে এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের মৃধা নামে এক লোকের ধান কাটার একটি গ্রুপ ছিল। ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি উসমান গণির লোকের বোরো ধান গত বৈশাখ মাসে কেটে দেয়ার কথা ছিল বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের লোকজনের।

ধান কেটে না দেয়ায় বেশ কিছুদিন পর গতকাল সোমবার তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে আজ দুপুরে উসমান ও চেয়ারম্যান দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ সৃস্টি হয়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর পুনরায় হাসপাতালের ভেতরে চেয়ারম্যানের লোকজন হামলা চালায়। এতে মজিদ ও সালাম মারাত্মকভাবে আহত হয়। পরে মুমুর্ষ অবস্থায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

নেত্রকনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থাকলেও বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজকের পত্রিকা/দেবল চন্দ্র দাস/নেত্রকোনা/রাফাত