খালি পায়ে হাঁটলে হাঁটু, পশ্চাদদেশের মুভমেন্ট সঠিক হয়। ছবি : সংগৃহীত

জুতা পরা শুরু করার ফলে মাটির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরেই একটা কথা প্রচলিত রয়েছে, খালি পায়ে মাটিতে হাঁটলে পৃথিবীর শক্তি পায়ের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। অনেকেই আবার ভয় পান পায়ে সংক্রমণ বা কোনও ধারালো জিনিসে পা কেটে যাওয়ার। কিন্তু খালি পায়ে হাঁটলে আমাদের পায়ের তলায় থাকা কিছু প্রেসার পয়েন্ট অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্ক এবং শরীর আরও বেশি করে অ্যাকটিভ হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে সিক্স সেন্সও বাড়তে শুরু করে।

যখন ছোট ছিলেন তখন খালি পায়ে দৌঁড়ে বেড়াতে ভালোবাসতেন? মাটিতে পা রাখার পর যে ঠান্ডা একটা অনুভূতি পায়ের নিচে হয়, সেটা পেয়ে আনন্দে নেচে উঠতেন? অনেকে আছেন যারা খালি পায়ে নরম ঘাসের উপর হাঁটতেও পছন্দ করেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, ৩০ মিনিট খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাসের ফলে শরীরে বহু ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। যেমন : প্রদাহের উপসম, স্ট্রেস কমার মতো উপকার মেলে। পায়ের আকৃতি সঠিক হয়। কাজের স্মৃতিশক্তি বাড়ে। পায়ের তলার চামড়া শক্ত হয়। ওয়ার্ক আউটের সময় পায়ে আঘাত লাগার সম্ভাবনা কমে যায়। মাটিতে হাঁটলে পায়ের সংক্রমণ কমে।

এছাড়াও আপনার শরীরের ব্যালান্স নিয়ন্ত্রণ হয়। খালি পায়ে হাঁটলে হাঁটু, পশ্চাদদেশের মুভমেন্ট সঠিক হয়। পায়ের জোর বাড়ে। তবে অনেক রোগের ক্ষেত্রে খালি পায়ে হাঁটা উচিত নয়। অস্টিওআর্থারাইটিসের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই খালি পায়ে হাঁটুন।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/আ.স্ব  /জেবি